কিশোরগঞ্জের ভৈরবে তুচ্ছ ঘটনায় দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০-১২টি দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গত রবিবার রাত ১০টার দিকে শহরের দক্ষিণ চ-িবের এলাকার ব্যাপারী বাড়ি ও কাজি বাড়ি পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
আহতদের মধ্যে সারোয়ার, মিরাজ, ইমন, অলি, ইয়াফি, রাফি, রতন, ইমরান, নয়ন ও উজ্জ্বলসহ ১৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহখানেক আগে শহরের পলতাকান্দা বালুর মাঠে খেলা নিয়ে কাজি বাড়ির কাউসার মিয়ার ছেলে ইমনের সঙ্গে বাগবিত-া হয় ব্যাপারী বাড়ির মাহবুবের ছেলে অলি মিয়ার। গত ৪ জানুয়ারি স্কুলে গেলে অলি ও ইমনের মধ্যে আবার ঝগড়া হয়। পরে বাড়ির কাছে ইমনকে পেয়ে মারধর করে অলি ও তার বন্ধুরা।
এ বিষয়ে গত রবিবার রাতে সালিশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওইদিন বিকেলে শহরের কালিপুরে গিয়ে ইমন ও তার বন্ধুরা অলিকে মারধর করে। খবর পেয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
রাত ১০টার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ালে অন্তত ১৫ জন আহত হন। এ সময় রাস্তার পাশের ১০-১২টি বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।
এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত নাজির মিয়া ও আরমান মিয়া বলেন, ‘আমরা ব্যাপারী বাড়ি ও কাজি বাড়ির মধ্যে অবস্থান করছি। গত বছরও তাদের ঝগড়া হয়েছে। ঝগড়া হলেই রাস্তার পাশে থাকা আমাদের বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। আমরা এই অন্যায়-জুলুম থেকে মুক্তি চাই। দোষীদের বিচার চাই।’
১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহিন সিদ্দিক বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের বেশি ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে দোষীদের শনাক্ত করে সালিশ দরবার করে কঠোর বিচার করা হবে।
ভৈরব থানার ওসি খন্দকার ফুহাদ রূহানী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।