ফোনে কথা বলায় বাবার দায়ের কোপ, মেয়ের মাথা বিচ্ছিন্ন

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পিতার দায়ের কোপে মেয়ে নিহত হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম রানু বেগম (১৫)। তার পিতার নাম মঈনুদ্দিন।

জানা গেছে, রানু প্রায় সময়ই মোবাইল ফোনে কথা বলত। পিতা মঈনুদ্দিন বিষয়টিকে ভালোভাবে নিতেন না। মেয়েকে নিবৃত্ত করতে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে গতকাল দুপুরে মোবাইলে কথা বলার সময় পেছন দিক থেকে ধারালো দা দিয়ে মেয়ের ঘাড়ে কোপ দেন। এতে মেয়ে রানুর মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পিতাকে আটক করেছে। নিহত রানুর মা শাহেদা বেগম বলেন, ‘মোবাইলে কথা বলার জেরেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে আমার স্বামী। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’

মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন আটক মঈনুদ্দিন থানা হেফাজতে রয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

এদিকে বরিশালের বাবুগঞ্জে তিন দিন ধরে নিখোঁজ থাকা এসএসসি পরীক্ষার্থী রাব্বি হাওলাদারের (১৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে বাড়ির পাশের একটি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাব্বি বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর গ্রামের বাচ্চু হাওলাদারের ছেলে এবং মোহনগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

বিএমপির এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের ওসি জাকির হোসেন সিকদার জানান, গত রবিবার রাত ১টার দিকে বাসা থেকে বের হন রাব্বি। রাত ২টার দিকে তার বড় ভাই তাকে ফোন করলে তিনি পরে বাড়ি ফিরবেন বলে জানান এবং ভাইকে ঘুমিয়ে পড়তে বলেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

ওসি আরও জানান, রাব্বির মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।