ট্রাম্প থাকলে ইউক্রেন যুদ্ধ হতো না : পুতিন

রাশিয়া যখন ইউক্রেন আক্রমণ করে তখন বাইডেনের জায়গায় ট্রাম্প থাকলে এই যুদ্ধ এড়ানো যেত বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন। রাশিয়ার একটি সম্প্রচার মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শুক্রবার এই দাবি করেন তিনি। পুতিন আরও বলেন, এই যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সংকট নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে, ক্ষমতায় থাকলে ইউক্রেনে যুদ্ধ হতো না। তবে এই প্রথমবার পুতিনও একই মত প্রকাশ করলেন। পাশাপাশি পুতিন আরও একবার বলেছেন, যে ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চুরি হয়েছে। পুতিন বলেন, আমি ট্রাম্পের সঙ্গে এই বিষয়ে একমত যে, যদি ২০২০ সালের নির্বাচনে চুরি না হতো, তবে ২০২২ সালে যে ইউক্রেনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা হয়তো ঘটত না।

রুশ চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, রাশিয়া এমন সাক্ষাতের জন্য সব সময় প্রস্তুত। আমরা সব সময়ই বলেছি এবং এখনো আমি আবার জোর দিয়ে বলছি, আমরা ইউক্রেনের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। এর আগে বৃহস্পতিবারও ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক আয়োজনে ‘ওয়াশিংটনের সংকেতের অপেক্ষা করছে’।

এর আগে, ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন যে, তিনি একদিনে ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ করে দেবেন। কিন্তু পরে তিনি তার ইউক্রেন ও রাশিয়ার জন্য নিয়োগকৃত বিশেষ দূত কিথ কেলোগকে ১০০ দিন সময় দেন সমাধান খুঁজে বের করার জন্য। তবে নতুন ট্রাম্প প্রশাসন এখনো ইউক্রেনে শান্তির জন্য কোনো শক্ত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেনি।

এর আগে, সুইজারল্যান্ডের দাভোসে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের একটি সেশনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প হুমকি দেন, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাজি না হলে যুক্তরাষ্ট্র মস্কোর ওপর কড়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। তবে গতকাল শুক্রবার পুতিন সেই হুমকি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলছেন, এমন পদক্ষেপ আমেরিকার অর্থনীতিরও ক্ষতি করবে।