নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, আমরা চাইলেও রাতারাতি পূর্ববর্তী নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্তদের অপসারণ করতে পারব না। এটা সম্ভব নয়। তাহলে আমাদের দেখতে হবে কারা এখানে অংশীজন বনে গিয়েছিলেন আর কারা বাধ্য হয়েছিল। আমরা বিশ্বাস করতে চাই আমরা নির্বাচন কমিশন শক্ত থাকি, স্বচ্ছ থাকি, সৎ থাকি। আমাদের অধীনে যারা নির্বাচন করবেন তারাও সৎ থাকতে বাধ্য।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) নীলফামারী সরকারি কলেজ হলরুমে ভোটার তালিকা হালনাগাদ উপলক্ষে সদর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় আয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও নতুন ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনে তো কিছু চ্যালেঞ্জ থাকে। তবে এবারের নির্বাচনে আমরা সুবিধা বেশি দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানে যেসব রাজনৈতিক দল মাঠে ময়দানে নির্বাচনের কথা বলছেন, তারা দীর্ঘদিন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সঠিক নির্বাচন, সুষ্ঠু নির্বাচন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ইত্যাদি নিয়েই দাবি তুলেছেন, কথা বলেছেন। আমার মনে হয় আমাদের সময় এসেছে তাদের কাছে দাবি করা যে, আপনারা এতদিন ধরে যে দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছেন, আমাদের এই দাবি পূরণ করার সুযোগ করে দেন।
তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের ইয়াং জেনারেশন এই জুলাই এবং আগস্টের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমাদের সবার চোখ খুলে দিয়েছে। যে ব্যক্তি নাগরিকের অধিকার কী জিনিস এবং ব্যক্তি নাগরিকের অধিকার খর্ব হলে কী হতে পারে? আমার মনে হয় এটা আমাদের কাজে লাগানো উচিত।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান ভূইয়া, রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলামসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।