সংস্কারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক স্বাধীনতা যাতে খর্ব না হয় সে বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, আমাদের রিফর্ম নিয়ে কথা হয়েছে। তবে আমি বলেছি সংবিধান অনুযায়ী ইসির যে স্বাধীনতা, সেটা যেন গ্রান্টেড থাকে, আমরা এটা চাই।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করতে আসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, গণতান্ত্রিক যাত্রায় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সব রকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করার সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে। সংস্কারকে গুরুত্ব দিয়েছে ইইউ। ইইউ মনে করে সংস্কারের সময়টা কম হয়েছে। তিনি বলেন, উনারা জানতে চেয়েছিলেন আগামী নির্বাচনের জন্য আমরা কতটুকু প্রস্তুত আছি। আমাদের ভোটার তালিকা প্রস্তুতিসহ সামগ্রিক বিষয়গুলো শেষ করতে টাইম লাইন কী রকম হবে। ওনার বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রায় সব ধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটা সম্পন্ন হলে সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত আছেন তারা।
এক প্রশ্নে জবাবে সিইসি বলেন, ওনারা লোক পাঠাবে এবং নিড অ্যাসেসমেন্ট করবেন। এরপরই বোঝা যাবে কোথায় কোথায় ওনারা সাহায্য করতে পারেন এবং পরে আমাদের জানাবেন। এ ছাড়া নির্বাচনে তারা পর্যবেক্ষকও পাঠাতে চায়।
আরেক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি। আমরা তাদের সুষ্ঠু ভোটের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছি। আমাদের প্রস্তুতি দেখে তারা খুশি হয়েছেন। আমাদের বিষয়টা তারা অনুধাবন করতে পেরেছেন।
ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন করতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে ইইউ।