ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির পুনঃতদন্ত দাবি

২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ পুনঃতদন্তের দাবিতে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছে ছাত্র অধিকার পরিষদ। গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাবি উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ স্মারকলিপি তুলে দেন ওই নির্বাচনে ছাত্র অধিকার পরিষদের জিএস প্রার্থী মো. রাশেদ খাঁন। বর্তমানে তিনি গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে রাশেদ বলেন, ওই নির্বাচনে আমার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৬ হাজার ৬৩টি দেখানো হয়। সেই নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য মো. আক্তারুজ্জামানের ভোট কারচুপির সহযোগিতায় জিএস হিসেবে নির্বাচিত দেখানো হয় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে। এমনকি গোলাম রাব্বানী  ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে কোনো নিয়ম না মেনেই উপাচার্য মো. আক্তারুজ্জামানের সহযোগিতায় এমফিলে ভর্তি হয়। সে সময় জাতীয় দৈনিকে এ-সংক্রান্ত অসংখ্য সংবাদও প্রকাশিত হয়। যেহেতু গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্বই ছিল না ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় অবৈধ উপায়ে ভর্তি হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালটপেপারে অবৈধভাবে ছিল মারা, কৃত্রিম লাইন সৃষ্টি করা, ভোট দানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করাসহ নানা কারচুপির সঙ্গে যুক্ত হয়, এ ছাড়া সে নিষিদ্ধ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অসংখ্য শিক্ষার্থীকেও নির্যাতন করেছে, ক্যাম্পাসে অসংখ্য হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি তার ছাত্রত্ব ও ডাকসু পদ বাতিল দাবি করছি। সে সময়েই সংক্ষুব্ধ প্রার্থী হিসেবে ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির কাছে আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি।