যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ও সামরিক হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আরও চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের সন্ধানে উদ্ধার কাজ এখনো চলছে।
তবে নিখোঁজ সকলেই নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকান এয়ারলাইনসের ৫৩৪২ নম্বর ফ্লাইট স্থানীয় সময় বুধবার রাত ৯টা নাগাদ রোনাল্ড রিগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্টে অবতরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর পটোম্যাক নদীতে বিধ্বস্ত হয়েছে।
যাত্রীবাহী উড়োজাহাজটি ছিল বম্বার্ডিয়ার সিআরজে৭০০ মডেলের, যা কানসাসের উইচিটা থেকে উড্ডয়ন করেছিল। এতে ৬০ যাত্রী ও চার ক্রু ছিলেন বলে আমেরিকান এয়ারলাইনস নিশ্চিত করেছে। এ দুর্ঘটনার পর কাছাকাছি অবস্থিত রোনাল্ড রিগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্টে সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত হেলিকপ্টারটি ভার্জিনিয়ার ফোর্ট বেলভোয়ার থেকে উড্ডয়ন করেছিল। ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মুরিয়েল বাউজার বলেন, সেনাবাহিনীর ওই হেলিকপ্টারে তিন সেনা সদস্য ছিলেন।
ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার কথা বলেছেন তিনি। নিহতদের শ্রদ্ধা জানিয়ে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। মনোনীত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি জানিয়েছেন, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এ বিষয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন শন ডাফি। এক ভিডিওবার্তায় দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য ‘গভীর শোক’ প্রকাশ করেছেন আমেরিকান এয়ারলাইনসের সিইও রবার্ট আইসম।