বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ফ্যাসিবাদের পতন চেয়েছি। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে কিন্তু এখনো আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি।’ গতকাল শুক্রবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক বিষয়ে একমত হয়েছি। দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলো দেশের কল্যাণের জন্য দ্বিমতের কোনো কারণ নেই। ভবিষ্যতেও হবে না। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম জোটের সঙ্গী ছিল।’
তিনি বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলন শুধু সরকারের বিরুদ্ধে হবে সেটা কোনো কথা নয়। দেশের যে কোনো আকাক্সক্ষা পূরণের জন্য আমরা এ আন্দোলন করতে পারি। আমরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ফ্যাসিবাদের পতন চেয়েছি।
ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে কিন্তু এখনো আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন হয়ে এ দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে, ইনশাআল্লাহ। এ জন্য যতটুকু সংস্কার করা দরকার, ততটুকু সংস্কার করেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
বৈঠকে নজরুল ইসলাম খান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুক, সহসভাপতি আব্দুর রব ইউসুফী, আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার, জুনায়েদ আল হাবীব, আব্দুল কুদ্দুস কাসেমী, মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, যুগ্ম মহাসচিব তাফাজ্জল হক আজীজ, আব্দুল মালিক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী।
এর আগে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠক করেন নজরুল ইসলাম খান। বৈঠকে জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোস্তফা জামাল হায়দার, শাহদাত হোসেন সেলিম, নুরুল আমিন বেপারী, ফারুক রহমান, সৈয়দ এহসানুল হুদা, রাশেদ প্রধান, শামসুদ্দিন পারভেজ, আব্দুর করিম ও আবুল কাশেম।