বিধানসভা নির্বাচনের হাইভোল্টেজ প্রচারের শেষে দিল্লিতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ১২টি সংরক্ষিত আসনসহ ৭০ আসনে গতকাল বুধবার ৬৯৯ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যটিতে নিবন্ধিত ভোটার সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫৬ লাখ। ভোট নেওয়া হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার বুথে। আম আদমি, কংগ্রেস এবং বহুজন সমাজ পার্টি সবগুলো আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বিজেপি দিয়েছে ৬৮টিতে, একটি করে আসন ছেড়েছে জোট ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স-এনডিএর দুই সহযোগী জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) ও লোক জনশক্তি পার্টিকে (এলজেপি)।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ৫৭.৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। ৬৩.৮৩ শতাংশ ভোট নিয়ে জেলাভিত্তিক ভোটদানের হারে শীর্ষে উত্তর-পূর্বাঞ্চল। তবে সবচেয়ে কম নয়াদিল্লিতে ৫৪.৩৭ শতাংশ। আর কেন্দ্রভিত্তিক ভোটদানের নিরিখে এগিয়ে আছে মুস্তাফাবাদ। সেখানকার ৬৩.৮৩ শতাংশ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে। ভোটদানের পর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, যারা কাজ করবে, তাদেরই ভোট দেবেন দিল্লির মানুষ।
এর আগে ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টি প্রায় সাড়ে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিল ৬২টি আসন। বিজেপি জিতেছিল ৮টিতে। পেয়েছিল সাড়ে ৩৮ শতাংশ ভোট। কংগ্রেস শূন্য হাতে ফিরেছিল মাত্র ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোট নিয়ে। এদিকে তামিলনাড়ুর ইরোড বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪২.৪১ শতাংশ। আর উত্তরপ্রদেশের মিলকিপুর উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪৪.৫৯ শতাংশ।