গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী মহাপরিচালক

১ কোটি ২০ লাখ হাতকে আত্মনির্ভরশীলতার দিকে নিয়ে যেতে চাই

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেছেন, বর্তমানে যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সে জায়গায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমাদের অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা দৃঢ় ভূমিকা পালন করছে। তারা হামলার মুখোমুখি আহত হলেও সর্বান্তকরণে নিরাপত্তার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

আজ সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি জায়গায় নিরাপত্তা সমৃদ্ধি উন্নয়নের জায়গায় এই বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের ডিজিটালাইজেশনের কাজ শেষ পর্যায়ে। আমাদের ৬০ লাখের যে ডাটাবেজ সেটা ইনশাআল্লাহ তৈরি হয়ে গেছে। গত আগস্টের পর থেকে ১ লাখের কাছাকাছি মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের সামাজিক নিরাপত্তার কাজে লাগানো গেলে নিরাপত্তার হুমকি সেগুলোকে ঠেকানো সম্ভব। এ বছর নির্বাচনের জন্য আরো ৮৫ হাজার প্রশিক্ষণ নেবে। ইতোমধ্যে ডাটাবেইজ তৈরি হয়েছে।

ইউনিয়ন পর্যায়ে দলনেতাদের ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, এটা শেষ করতে পারলে দেশের মানুষের প্রতি আমাদের যে দায়বদ্ধতা সেটা করে দেখাতে পারব। আমাদের ৬০ লাখের জনবলের ১ কোটি ২০ লাখ হাতকে আত্মনির্ভরশীলতার দিকে যেতে চাই।

এতে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৭ ফিল্ড আর্টিলারি অধিনায়ক লে. কর্নেল আরমিল রাজী, র‍্যাব-১১ অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী নারায়ণগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট  কানিজ ফারজানা শান্তা। অনুষ্ঠান শেষে ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ বন্দর উপজেলা কোম্পানি কমান্ডার মো. সামসুল হক দেওয়ান, কুতুবপুর ইউনিয়ন দলনেত্রী লিপি আক্তার, রূপগঞ্জের তারবো পৌরসভার ওয়ার্ড দলনেতা মো. আবু বক্কর সিদ্দিককে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।