ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চান স্টারমার

ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ এবং দেশটিতে ভøাদিমির পুতিনের পুনঃহামলা রুখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চাইবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সম্প্রতি ইউক্রেন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তবে সৌদি আরবে হওয়া সেই বৈঠকে আমন্ত্রণ পায়নি কিয়েভ ও ইউরোপের কোনো দেশ। তাতে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর পর ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে তার। সেই বৈঠকের আগে তিনি বলেন, রাশিয়ার পুতিনকে আবার আক্রমণ করা থেকে বিরত রাখার একমাত্র উপায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন। ওয়াশিংটনে স্টারমার সাংবাদিকদের বলেন, পুতিনকে নিরুৎসাহিত করার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা যথেষ্ট হতে হবে। যদি কোনো নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়াই যুদ্ধবিরতি হয়, তাহলে এটি পুতিনকে আবার ফিরে আসার সুযোগ দেবে। কারণ ইউক্রেনের প্রতি তার উচ্চাকাক্সক্ষা বেশ স্পষ্ট। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটলে ইউক্রেনে ইউরোপীয় শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন স্টারমার। সে প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ইউরোপের আরেক পরাশক্তি ফ্রান্সও। তবে স্টারমার বলেন, অঞ্চলটিতে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রয়োজন হবে।

দীর্ঘ এ যুদ্ধে সহায়তার বিনিময়ে ইউক্রেনের বিরল খনিজ সম্পদ খাতের ভাগ চেয়েছে নতুন ট্রাম্প প্রশাসন। শুরুতে ট্রাম্পের সেই প্রস্তাব নাকচ করলেও, পরে তা মেনে নিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও। উভয় দেশের মধ্যে এই খনিজ সম্পদ চুক্তির খসড়া শর্তাবলি নিয়ে সমঝোতাও হয়েছে। আগামীকাল জেলেনস্কির ওয়াশিংটন পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তার এ সফরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের এই খনিজ সম্পদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।