গণফোরাম সভাপতি পরিষদের অন্যতম সদস্য সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, দেশে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। নতুন করে মব সন্ত্রাসী গজিয়ে উঠেছে। প্রকাশ্যে আসামি ছিনতাই করে, মানুষকে ঝুলিয়ে নির্যাতন, ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ও মুজিবনগর জাদুঘরসহ সাধারণ মানুষের ঘর-বাড়ি ভাঙচুরের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। অনতিবিলম্বে পুরনো ও গজিয়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আনতে হবে।
আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সড়কে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও পবিত্র রমজানে দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতা এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোস্তাক আহমেদ, সুরাইয়া বেগম, শাহ নুরুজ্জামান, রওশন ইয়াজদানি, লতিফুল বারী হামিম, মাহফুজুর রহমান মাসুম, রফিকুল ইসলাম পথিক, আশরাফুল ইসলাম, মাহমুদুল্লাহ মধু, সানজিদ রহমান শুভ, মিজানুর রহমান, হাবিবুর রহমান ভুলু, শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ।
সমাবেশে সুব্রত চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গণফোরাম সক্রিয় অংশগ্রহণ করে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়ে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জোরালো কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে লোক দেখানো উদ্যোগ নিয়েছে। বিগত সরকারের সিন্ডিকেট এখনো চলমান যার কারণে তেল, ডাল, চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।
দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, নতুন সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সংস্কারের নামে বিলম্ব ও সাধারণ মানুষের জীবনে পুঞ্জিভূত ক্ষোভ, নিরাপত্তাহীনতা, আইনের শাসনের অনুপস্থিতি ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে জনমনে ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, অনতিবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনীকে আরও সক্রিয় করুন এবং সাধারণ নির্বাচন দিয়ে রাজনৈতিক দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনুন। অন্যথায় আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হব।