শরীয়তপুরে গণধোলাইয়ে ২ ডাকাতের মৃত্যু

শরীয়তপুরে নদীতে ডাকাতিকালে গণধোলাইয়ের শিকার আহত ৫ ডাকাত সদস্যের মধ্যে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম পরিচয় জানা যায়নি। বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ২ ডাকাত সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

আজ শনিবার (১ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই ডাকাত সদস্যদের মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামন। তিনি জানান, শুক্রবার রাতে ডাকাতির সময় গণপিটুনিতে আহত ৫ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য ভোরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করা হয় জরুরি বিভাগে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় একজন মারা গেছে। তবে তার নাম পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি। ওই ব্যক্তির লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে বাকি ৪ জনকে হাসপাতাল থেকে মাদারীপুর নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এর আগে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে শরীয়তপুরের আঙ্গারিয়া এলাকায় নদীতে ডাকাত দলের ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে চারজন গুলিবিদ্ধ হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ধরে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। এতে দুজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি স্পিডবোটে করে একদল ডাকাত আঙ্গারিয়া এলাকায় প্রবেশ করে। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে ডাকাতরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে।

ডাকাতির খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সতর্ক হয়ে যান। পালানোর সময় ডাকাতরা রামগঞ্জ এলাকা দিয়ে নদীপথে বের হওয়ার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয়রা বাল্কহেড দিয়ে নদীপথ আটকে দেয়। বাধা পেয়ে ডাকাতরা স্পিডবোট তীরে রেখে পালানোর চেষ্টা করলে জনতা তাদের ধাওয়া করে সাত জনকে ধরে ফেলে এবং গণধোলাই দেয়।