ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ১২ মার্চ পর্যন্ত

‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত রিটের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আজ থেকে আবার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন দেশের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ক্লাস বর্জন করবেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। আগামী ১২ মার্চ এই রায় ঘোষণার তারিখ রয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি ও ক্লাস বর্জন করবেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীরা।

এমনকি ১২ মার্চ রায় ঘোষণা করা না হলে ও অন্যান্য দাবি মানা না হলে এই কর্মবিরতি ও ক্লাস বর্জন অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।

গতকাল বুধবার চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলোর সম্মিলিত জোট ‘ইউনাইটেড মেডিকেল অর্গানাইজেশনস অব বাংলাদেশ’ এই ঘোষণা দেয়।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত ২৭৩০/২০১৩ এবং ডাক্তার পদবি সংক্রান্ত ‘বিএমডিসি অ্যাক্ট ২০১০ এর ধারা ২৯’-কে চ্যালেঞ্জ করে ১৩০৪৬/২০২৪ এই দুটি রিটের শুনানি হয়। এর মধ্যে ২০১৩ সালের রিটটির ৯১তম শুনানি ছিল সেদিন। আদালত উভয় রিটের রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১২ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।

সংগঠনটি সম্মিলিত ঘোষণায় আজ থেকে রায় ঘোষণার তারিখ ১২ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে। কর্মসূচি অনুযায়ী আজ ৬ মার্চ থেকে আগামী ১২ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করবেন এবং মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করবেন, পাশাপাশি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। ৫ মার্চ-১০ মার্চ পর্যন্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, পরিচালক ও বিভাগীর প্রধানদের স্মারকলিপি প্রদান, কর্মসূচির ব্যাপারে অবহিতকরণ, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং অনলাইন প্রচারণা। এরপর ১০ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন।

এ ছাড়া ১২ মার্চ ঢাকার সব চিকিৎসক ও শিক্ষার্থী সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হবেন এবং ঢাকার বাইরে সবাই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।

সম্মিলিত ঘোষণায় বলা হয়, ১২ মার্চ রায় প্রদান না করা হলে এবং অন্যান্য দাবি মেনে নেওয়া না হলে কর্মবিরতি ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলমান থাকবে।

সম্মিলিত ঘোষণায় পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে।