ফুটবলারদের বীমার আওতায় আনবে বাফুফে

আলোচ্যসূচীতে ছিল ১০টি প্রসঙ্গ। তবে ইফতারের সময় ঘনিয়ে আসায় সব এজেন্ডা নিয়ে বৃহস্পতিবার আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটি। তবে গুরুত্বপূর্ণ বেশ বিছু বিষয় নিয়ে হয়েছে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত।

দায়িত্ব নেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে বাফুফেকে 'মুক্ত' করতে পারায় সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে শুরুতেই ধন্যবাদ জানান কমিটির বাকী সদস্যরা। ২০১৮ সাল থেকে ফিফার আর্থিক বাধ্য-বাধকতা ছিল বাফুফের ওপর। স্বাধীন পর্যবেক্ষক বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল বাফুফের হিসাব-নিকাষ চুলচেড়া বিশ্লেষণ করে পর্যবেক্ষক আত্বস্ত হলেই মিলতো ফিফার বরাদ্দ। বার্ষিক বরাদ্দের অঙ্কও কাটা পড়তো। এখন থেকে সেটা থাকছে না। তাই মুক্তি পেয়েই বাফুফে ফুটবলারদের চিকিৎসা বীমার আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কেবল সিনিয়র জাতীয় দল নয়, নারী ও পুরুষ বয়সভিত্তিক সকল ফুটবলারই সামনে থেকে পাবেন বীমা সুবিধা। ফুটবল খেলতে গিয়ে চোটে কারও ক্যারিয়ার যাতে ঝুকির মুখে না পড়ে তাই এই পরিকল্পনা নিয়েছে তাবিথ প্রশাসন।

সভায় এছাড়া ২০২৫ সালের অনুমোদিত অর্থ বাজেটও পাশ হয়েছে। প্রায় আড়াই ঘন্টা দীর্ঘ সভা শেষে সংবাদ মাধ্যমকে ব্রিফ করেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি জানান বাজের অনুমোদন হওয়ার কথা। তবে কত টাকার বাজেট, সেটা তিনি জানাননি। কমিটির একাধিক কর্তা অবশ্য নিশ্চিত করেছেন ৫ কোটি টাকা ঘাটতিসহ প্রায় ৬২ কোটি টাকার বাজেট সভায় অনুমোদন হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৬ অক্টোবর বাফুফে নির্বাচন ও বার্ষিক সাধারণ সভায় কাজী সালাউদ্দিন প্রশাসন ২০২৫ সালের জন্য ৬১ কোটি ৫২ লাখ টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছিল। তবে বাজেটের সম্ভাব্য আয়-ব্যায়গুলো দেখানো হয়েছিল মাত্র এক পৃষ্ঠায়। সবিস্তারে না জানানোর ফলে সাধারণ সভায় সেই বাজেট অনুমোদিত হয়নি। আয়-ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তৈরী করে এবার নির্বাহী সভায় উপস্থাপন করা হয়। যা নির্বাহী কমিটির অনুমোদন পেয়েছে। এটি সামনের বার্ষিক সাধারণ সভায় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

সভায় বাফুফের কয়েক কোটি টাকার দেনা-পাওনা নিয়েও আলোচনা হয় এবং এ সব অমিমাংসিত বিষয় দ্রুত মিমাংসার তাগিদ দেওয়া হয় সংস্লিষ্ঠদের।