ফ্রান্সের কট্টর ডানপন্থী নেতা এবং ন্যাশনাল র্যালি (আরএন)-এর এমপি ম্যাডাম লো পেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করেছে আদালত। এই রায়ের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
টিএফওয়ান নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাডাম লো পেন এই রায়কে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করেছেন এবং দ্রুত আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই দণ্ডের ফলে ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা আপাতত বন্ধ হয়ে গেল।
লো পেনের সমর্থকরা এই রায়কে ফ্রান্সের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন, তবে বিরোধীরা আইনের শাসন বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। ইকোলজিস্ট পার্টির নেতা মারিন টন্ডোলিয়ে বলেন, ‘লো পেনকেও আইনের সম্মুখীন হতে হবে, তিনি আইনের ঊর্ধ্বে নন।’
বিচার বিভাগের উচ্চ পরিষদ এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং জানিয়েছে, আদালতের স্বাধীনতার ওপর প্রশ্ন তোলা উচিত নয়। সমাজতান্ত্রিক দল ইতোমধ্যে ন্যায়বিচারের পক্ষে একটি অনলাইন পিটিশন শুরু করেছে।
এই রায়ের ফলে ফ্রান্সের বিচারব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।