শ্বশুরের কারণে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার কথা অস্বীকার শাদাবের

মাঠের খেলায় দলের টানা ব্যর্থতায় পাকিস্তানের ক্রিকেটে কাদা ছোড়াছুড়ি চলছেই। অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানের লেগ স্পিন অলরাউন্ডার শাদাব খান নাকি তার শ্বশুর সাকলায়েন মুশতাকের বিশেষ সুবিধা পান। কিংবদন্তি স্পিনার সাকলায়েন হলেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের মেন্টর। তবে শ্বশুরের থেকে বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন শাদাব খান।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সাকলায়েনের মেয়ে মালাইকাকে বিয়ে করেন শাদাব। গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকেই তিনি জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন। তবে সদ্য সমাপ্ত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে তিনি দলে ফিরেন। সিরিজটি ৪-১ ব্যবধানে হেরে যায় পাকিস্তান। শাদাবের দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শহীদ আফ্রিদি ও আহমেদ শেহজাদের মতো সাবেকরা।

সেই সিরিজে ৪ ইনিংসে মাত্র ২৮ রান করেছিলেন শাদাব। পাশাপাশি ৫ ম্যাচে ১৪৩ রান দিয়ে শিকার করেছিলেন মাত্র ১ উইকেট। একটি –টোয়েন্টি খেলে করেন মাত্র ৩ রান। এই অল-রাউন্ডারকে নিয়ে আহমেদ শেহজাদ বলেছিলেন, ‘শাদাবকে নিয়ে বলুন তো, সে কেমন খেলেছে? কে তাকে দলে এনেছে? এই সিরিজটি আগে শেষ হতে দিন। শাদাবকে নিয়ে পাকিস্তানের অন্য পরিকল্পনা আছে। অন্য উদ্দেশ্যে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে!’

অভিযোগের জবাবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে শাদাব বলেন, ‘এমন কথা শোনা হতাশার ও কষ্টের। কারণ, আমার ক্যারিয়ারের বয়স সাত বছর। পাকিস্তানের হয়ে অভিষেকের পর আমি ভালো কিছু পারফরম্যান্সও করেছি। হ্যাঁ, আমি সাকলায়েন মুশতাকের কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখছি; কারণ, তার কোচিং ব্যাকগ্রাউন্ড শক্তিশালী। কিন্তু তার মানে এই না, তিনি আমাকে বিশেষ সুবিধা দিচ্ছেন।’

এই লেগ স্পিন অল-রাউন্ডার আরও বলেছেন, ‘সাকলায়েন মুশতাকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা যখন বারবার সামনে টেনে আনা হয়, তখন কষ্ট লাগে। শ্বশুরের সঙ্গে কাজ করে আমি নিজের বোলিং আরও ভালো করার চেষ্টা করছি। কারণ, ব্যাটারের চেয়ে বোলার হিসেবে আমি দলের জন্য নিজেকে বেশি উপকারী মনে করি।’