সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন মুখপাত্র

ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশের জনগণই

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত দেশটির জনগণই নেবে। গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি ওই মন্তব্য করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে বাংলাদেশ নিয়ে অনেক প্রতিবেদন এসেছে। যেমন, দুই সপ্তাহ আগে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে ইসলামপন্থি জঙ্গিদের উদ্বেগজনক উত্থান নিয়ে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের শাসনামলে ইসলামপন্থি উগ্রবাদ’, বিক্ষোভকারীদের প্রকাশ্যে ওসামা বিন লাদেনের ছবি ও নাৎসিদের ব্যবহৃত চিহ্ন প্রদর্শন করা, কেএফসি-কোকা কোলার মতো মার্কিন ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে আগ্রাসন ও ইহুদি বিদ্বেষের বিস্তার নিয়ে ব্রুসের মন্তব্য জানতে চান ওই সাংবাদিক।

জবাবে ট্যামি ব্রুস জানান, বাংলাদেশের কিছু বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে যুক্ত রাষ্ট্র অনেকবার কথা বলেছে। এখানে যারা উপস্থিত আছেন, অতীতে তাদের অনেকের প্রশ্নের জবাবও দেওয়া হয়েছে। এ কারণে, সুনির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ের ক্ষেত্রে আমরা সে পথ অনুসরণ করে সরে যেতে চাই।’

তবে তিনি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্য ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকর বিরুদ্ধে দুর্নীতির দায়ে বাংলাদেশি আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি আলাদা করে উল্লেখ করেন।

‘এটা অবশ্যই কিছু বিষয় এগুলো সব এবং আপনারা যেসব নিয়ে আলোচনা করছেন, এমন কী, বিক্ষোভ, ইত্যাদি, এ সব কিছুর মোকাবিলার দায়িত্ব বাংলাদেশি প্রশাসনের, এবং অবশ্যই তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলা অনেক গুরুত্বপূর্ণ’। ‘পরিশেষে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হবে তা বাংলাদেশি মানুষই সিদ্ধান্ত নেবে’।

ট্যামি ব্রুস জানান, বাংলাদেশের জনগণের জন্য অর্থবহ অনেকগুলো ব্যাপার রয়েছে, যার মধ্যে আছে নির্বাচন ও গণতন্ত্র। গণতন্ত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গত ২০-২৫ বছরে আমরা যেমন দেখেছি, কিছু মানুষের কার্যক্রম অন্যদের জীবন ধ্বংসের কারণ হতে পারে। তাই এগুলোর মোকাবিলা করাও গুরুত্বপূর্ণ।