জুলাইয়ে নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা ইসির

ডিসেম্বর ধরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতিমধ্যে প্রাক-প্রস্তুতির নানা কাজ গুছিয়ে আনছে সংস্থাটি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে জুলাই মাসেই নির্বাচন কমিশনের কর্মপরিকল্পনা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল বুধবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে রোডম্যাপের বিষয়টি, কর্মপরিকল্পনাটি, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নিজস্ব কর্মপরিকল্পা ধরেই এগোচ্ছি। সে কর্মপরিকল্পনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে আসনের প্রশাসনিক বিন্যাসের তথ্য, ভোটার তালিকার তথ্য সংগ্রহ ও শেষ পর্যায়ে গুছিয়ে এনেছি, নিবন্ধনের কাজও একটা পর্যায়ে নিয়ে আসছি। আইনের সংশোধনী পেলে মাস তিনেকের মধ্যে শেষ করতে পারব আশা করি।’

তিনি বলেন, ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে আমরা মোটামুটিভাবে ওয়ার্কপ্লানের প্রি-ওয়ার্ক  করতে পারব। আশা রাখি, মুদ্রিত কর্মপরিকল্পনা, যেটি নির্বাচনের আগে ইসি পাবলিশ করে, আমরা জুন-জুলাইয়ের দিকে প্রিন্টেড কপি পেয়ে যাব।’

এক পশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, এখন পর্যন্ততিনটি নতুন দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে। তারা সময় বাড়ানোর জন্য বলেছে। ইসির সিদ্ধান্ত হচ্ছে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধন পেতে আগ্রহী দলগুলোর আবেদন নেওয়া হবে। সময় বাড়ানোর এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত হবে।

শিডিউল ডিক্লারেশনের আগে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বসতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন যারা নিবন্ধন পাবে এবং পুরনো যারা আছে তাদের নিয়েই আমরা বসব। নিবন্ধনের কাজ যদি শেষ না করি, তাহলে নতুনদের তো কষ্ট থাকবে আমরা আসতে পারলাম না। দল নিবন্ধন শেষ করে অগাস্ট-সেপ্টেম্বর বা সম্ভব হলে আরও আগে মতবিনিময় হবে।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধারাবাহিকভাবে তা ইমপ্রুভড হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে গিয়েছি, রমজান মাসে আমাদের যে পারফরম্যান্স এটির আমরা আরও ইমপ্রুভমেন্ট করার চেষ্টা করছি। এটি যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আমরা নির্বাচন করতে পারব। আগামী ছয়-আট মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালো হবে বলে আশা করি।’