কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুই রোহিঙ্গা নারীকে জন্মসনদ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় উপজেলার চিওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহেরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। গতকাল শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ইউপি-১ শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব তৌহিদ এলাহি স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই বহিষ্কার আদেশ দেওয়া হয়।
বরখাস্ত হওয়া চিওড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের বলেন, ‘দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলার কারণে আমাকে বরখাস্ত করে মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে বলে ইউএনও অফিস সূত্রে জানতে পেরেছি। চিঠি হাতে পেলে বিস্তারিত বলতে পারব।’
জানা গেছে, গত বছরের ১১ জুন ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ভিয়েতনামে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ হুমায়রা ও শারমিন আক্তার নামের দুজন রোহিঙ্গা নারীকে আটক করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে গত ১৫ জুন কুমিল্লার ডিএসবির উপপরিদর্শক ইমাম হোসেন বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা করেন। মামলার পর ২৭ জুন থানার পুলিশ হুমায়রা ও শারমিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। এরপর জানা যায়, এ দুই রোহিঙ্গা নারী উপজেলার চিওড়া ইউনিয়ন পরিষদের ডিমাতলী গ্রামের কাজী শামছুল হকের ছেলে কাজী খবির উদ্দিনকে বাবা সাজিয়ে ওই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দুটি জন্মসনদ তৈরি করেন। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট তৈরি করে ভিয়েতনামে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন।