বিকেএমইএ নির্বাচন

হাতেমের নেতৃত্বে নিট অ্যালায়েন্সের ইশতেহার ঘোষণা

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) ২০২৫-২৭ মেয়াদের নির্বাচন আগামী শনিবার হবে। নির্বাচনে ৩৫টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৩৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাকি প্রার্থীদের মধ্যে ৩৫ জনের প্যানেল প্রার্থী দিয়েছেন প্রগ্রেসিভ নিট অ্যালায়েন্স। সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এ প্যানেলের নেতৃত্বে আছেন। গতকাল বুধবার রাজধানীর এক অভিজাত হোটেলে প্যানেলটি ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠান থেকে ১৫ দফা ইশতেহার ঘোষণা করে। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোহাম্মদ হাতেম।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমাদের নীতি হবে শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া এবং শিল্পের প্রয়োজনে সময় উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কারখানা মালিক শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করা। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা। ইশতেহারে আমদানি-রপ্তানি সহজীকরণ, কাস্টমস-সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বাস্তবধর্মী নীতি প্রণয়নে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নানাভাবে ভ্যাট নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আইন করে রাখা মূসকের নানা ধরনের ফরমের ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে আমাদের প্রশ্ন রয়েছে। তদুপরি এসব ফরমের ব্যবহার না করায় রাস্তাঘাটে রপ্তানিমুখী শিল্পের মালামাল পরিবহনে নানা জটিলতা তৈরি করে রপ্তানিকে বাধাগ্রস্ত করে এবং অবৈধ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

বর্তমানে ট্যাক্সেশন পদ্ধতিটি কোনোভাবেই বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব নয় এবং ট্যাক্সেশনের মূল চেতনা ও মৌলিক অধিকার পরিপন্থী। এ পদ্ধতির সংস্কারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতি সহজ করা ও ট্যাক্সের হার দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থির রাখার জন্য এনবিআরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

গতিশীল উৎপাদনব্যবস্থা ও লিড টাইম নিশ্চিতকরণে স্থলবন্দর দিয়ে আবার সুতা আমদানি চালু করার লক্ষ্যে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌক্তিক আলোচনার পরিবেশ তৈরি করব।

ব্যাংক খাতের নানা ধরনের জটিলতা দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং রপ্তানিবান্ধব নীতি প্রণয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখা।