ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, “জনগণের কাঙ্ক্ষিত আইনানুগ সেবা নিশ্চিত করে তাদের মন জয় করতে হবে। এই দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে পুলিশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে হবে।”
আজ রবিবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে অনুষ্ঠিত গ্র্যান্ড মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বাহিনীতে শৃঙ্খলা জোরদারে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য মাস্টার প্যারেডে আনন্দমুখর পরিবেশে অংশ নেন বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তারা। প্যারেডের নেতৃত্ব দেন ডিএমপির ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার রওনক আলম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্যারেড গ্রাউন্ডে কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী পৌঁছালে সশস্ত্র সালামের মাধ্যমে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিনি সালাম গ্রহণ করেন এবং এরপর ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত কন্টিনজেন্টসমূহ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে প্যারেডে অংশ নেওয়া অফিসার ও ফোর্সদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, “মাস্টার প্যারেডের মূল লক্ষ্য হচ্ছে অফিসার ও ফোর্সদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা। পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। এখানে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কিংবা আইন ও বিধির বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”
তিনি বলেন, “আপনারা সপ্তাহে একদিন আপনাদের কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন। জনগণের কল্যাণে ও পুলিশের মর্যাদা রক্ষায় প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করবেন। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে ডিএমপিকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও জনগণের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে রূপান্তরিত করা সম্ভব হবে।”
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, “মানুষের সেবায় প্রতিটি কাজ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। যে কোনো পরিস্থিতিতে দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজ করতে হবে। নিজের মনোবল সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে এবং নিরপেক্ষ থেকে আত্মনিয়োগ করতে হবে জনসেবায়।”
প্যারেডে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার, বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মো. শওকত আলী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির বিভিন্ন যুগ্ম ও উপ-পুলিশ কমিশনার, সকল থানার অফিসার ইনচার্জ এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা।