রাজবাড়ীতে জাটকা আহরণের নিষেধাজ্ঞা সময়ের ভিজিএফের চাল না পেয়ে বিক্ষোভ করেছেন মৎস্যজীবীরা। গতকাল সোমবার দুপুরে সদর উপজেলায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ করেন কার্ডধারী মৎস্যজীবীরা।
মৎস্যজীবীরা বলেন, এর আগে সর্বশেষ বার যে চাল দেওয়া হয়েছিল আমরা সেটা পেয়েছি। কিন্তু এইবার আমাদের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।
সামাদ আলী সরদার নামে এক মৎস্যজীবী বলেন, তালিকায় আমাদের নাম নেই, আমরা জাটকা মাছ ধরতে বা বাজারে বিক্রি করতে পারব না। আমরা চালও পাব না।
পদ্মা রাণী নামে আরেক মৎস্যজীবী অভিযোগ করে বলেন, যারা মাছের বাজারে মাছ বিক্রি করে, মুদির দোকানদারি করে, রিকসা চালায়, মিস্ত্রির কাজ করে সেসব লোককে চাল দিয়েছে।
সদর উপজেলায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার হালিমা সরদার বলেন, সদর উপজেলায় ৪ হাজার ৩০০ জন নিবন্ধনকারী মৎস্যজীবী রয়েছে। এর মধ্যে যে সব মৎস্যজীবীরা শুধুমাত্র জাটকা আহরণ করে তাদের এই ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। ৮ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ। এটি এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় চাল দেওয়া হচ্ছে। এইবার মোট ১ হাজার ৪০০ জন মৎস্যজীবীদের জন্য ভিজিএফের চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে।