বাংলাদেশের বিপক্ষে লাহোরে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টির মতো দ্বিতীয়টিতেও টস জিতে আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তান। আজ শুক্রবার পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ৬ উইকেটে ২০১ রান। প্রথম ম্যাচেও ২০১ রান করেছিল পাকিস্তান।
ফখর জামানের বদলে দলে ঢোকা ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান খেলেন ক্যারিয়ারসেরা ৭৪ রানের ইনিংস। হাসান নাওয়াজ ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন।
শুরুর দিকেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। পায়ের কোন এক জায়গায় টান লাগে চোট পেয়ে তিন বলে করেই মাঠ ছাড়েন শরিফুল ইসলাম। তার বদলে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারটি পূর্ণ করেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী।
সহ অধিনায়ক শেখ মেহেদির বদলে দলে ফিরেই ইনিংসের প্রথম ওভার করতে এসে উইকেট পেতে পারতেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তৃতীয় বল তুলে মারতে চান সাহিবজাদা। বল ওপরে উঠে গেলে পয়েন্ট থেকে দৌড়ে কাভারের দিকে গিয়ে ক্যাচ নিতে যেয়ে মিস করেন তানজিদ হাসান। ক্যাচটি ধরতে পারলে শূন্য রানে ফিরতেন সাহিবজাদা। তবে জীবন পেয়ে দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। ২৯ বলে পূরণ করেন প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফিফটি। ফেরার আগে মোট তিনবার জীবন পান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ৭৪ রান করে রিশাদের বলে উইকেটের পেছনে থাকা লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাহিবজাদা।
বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের এটি ১০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। বাংলাদেশের হয়ে অন্তত্য ১০০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা পঞ্চম ক্রিকেটার লিটন। তার আগে বাংলাদেশের হয়ে ১০০ টি-টোয়েন্টি খেলা ক্রিকেটাররা হলেন মাহমুদউল্লাহ, সাকিব আল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান ও মুশফিকুর রহিম।
সাহিবজাদা ফেরার আগে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রানআউটে ফেরেন সাইম আইয়ুব (৪)। দলীয় ১২ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ হারিস ও সাহিবজাদা ১০৩ রানের জুটি গড়েন। সাইম ২৫ বলে ৪১ রান করেন। তাকে ফেরান তানজিম হাসান সাকিব।
পাকিস্তান পাওয়ার প্লেতে তুলেছিল ৬৬ রান, প্রথম ১০ ওভারে করে ১০৭ রান। ১৪ ওভার শেষে ১৫৫ রান। তবে শেষ ছয় ওভারে পাকিস্তানের রানের লাগাম টেনে ধরেন বাংলাদেশের বোলাররা। এ সময় মাত্র দুটি চার ও এক ছক্কা হজম করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে হাসান নাওয়াজের ২৬ বলে ৫১ রানের ইনিংসে দুইশো পেরোয় পাকিস্তান। হাসান নাওয়াজের ইনিংসে ছিল ২ চার ও ৩ ছক্কা।
দুটি করে উইকেট নেন হাসান মাহমুদ ও তানজিম হাসান সাকিব।