নরসিংদীর ঘোড়াশালে যাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় শাহপরাণ (৩০) নামে এক রাইড শেয়ারের মোটরসাইকেল চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১ জুন) নরসিংদীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেশকাত ইসলামের আদালতে হাজির করা হলে ওই নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় শাহপরান।
এর আগে শনিবার মধ্যরাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পলাশ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার শাহপরানের বাসা ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানার তারানগরের বটতলী (দক্ষিণ পাড়া) এলাকায়।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ মে বিকালে ভুক্তভোগী ওই নারী ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে শ্যামলী যেতে মিরপুর ১২ নম্বর থেকে রাইড শেয়ারের মোটরসাইকেলে উঠেন। কিন্তু তাকে সেখানে না নিয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালের ভাগদী এলিট স্টিল মিলের সামনের সড়কের ব্রিজের পাশের নির্জন স্থানে নিয়ে যান চালক শাহপরান। পরে সেখানে নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন তিনি।
এসময় নারীর সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে তার স্বজনদের কাছ থেকেও অর্থ আদায় করেন শাহপরান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ মারফত সংবাদ পেয়ে পলাশ থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
এ ঘটনায় ২৯ মে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ধর্ষক ও প্রধান আসামি হিসেবে শাহপরানের নাম উল্লেখ করে এবং সহায়তাকারী হিসেবে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পলাশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে শাহপরানকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে পলাশ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
পলাশ থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তের ঠিকানা আমাদের থানার বাইরে হলেও ঘটনাস্থল আমাদের এখানে হওয়ায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আদালতে তোলা হলে ওই নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন শাহপরান।