কোরবানির ঈদের দিন থেকে পরবর্তী ১০ দিন অন্য জেলা থেকে ঢাকায় কাঁচা চমড়া পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গতকাল মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। এর আগে সরকার চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তবে সরকার চাচ্ছে এবারে যাতে চামড়ার ভালো দাম পাওয়া যায়। রাস্তায় ফেলে দিতে না হয়। এ জন্য সরকার ঢাকার বাইরের মাদ্রাসাগুলোতে ৩০ হাজার টন লবণ দিচ্ছে। যাতে করে চামড়া সংরক্ষণ করা যায় এবং দ্রুত বিক্রি করতে না হয়।
এবার ঢাকার বাইরে চামড়ার সর্বনিম্ন দাম ১১৫০ টাকা, ঢাকায় ১৩৫০ নির্ধারণ করা হয়েছে। আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম গত বছরের চেয়ে ৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর বাইরে বড় আকারের গরুর চামড়ার আয়তন অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এ বছর ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। অন্যদিকে ঢাকার বাইরে গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।
এছাড়া সারা দেশে খাসির প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম হবে ২২ থেকে ২৭ টাকা। আর বকরির চামড়ার দাম হবে ২০ থেকে ২২ টাকা। গত বছরের তুলনায় এই দুই পদের চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে দুই টাকা বেড়েছে। গত বছর খাসির প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ছিল ২০ থেকে ২৫ টাকা, আর বকরির চামড়ার দাম ছিল ১৮ থেকে ২০ টাকা।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন চামড়ার দাম নির্ধারণী সভা শেষে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আমরা আশা করি এর চেয়ে কমে চামড়া বিক্রি হবে না। সরকার চামড়ার ন্যায্য দাম নিশ্চিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।