সংসদ সদস্য প্রিয়ার সঙ্গে বাগদান হয়ে গেল রিংকু সিংয়ের

কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে আইপিএল। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের মৌসুম এখনো শুরু হয়নি। সাদা বলে জাতীয় দলের কোনো খেলাও নেই। এই সময়টাকেই বাগদানের জন্য বেছে নিয়েছিলেন রিংকু সিং। ভারতের তরুণ এই হার্ডহিটার আজ রবিবার সমাজবাদী পার্টির সাংসদ প্রিয়া সরোজের সঙ্গে বাগদান সেরে ফেলেছেন।

রিংকু-প্রিয়ার বাগ্‌দানের অনুষ্ঠানে বসেছিল চাঁদের হাট। ক্রীড়া প্রশাসক থেকে রাজনীতির আঙিনার বড় নাম উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা, অখিলেশ যাদব, জয়া ভাদুড়িসহ আরও অনেক রাজনৈতিক নেতা আমন্ত্রণ রক্ষা করেছেন। রিংকুর শ্বশুর তুফানি সরোজও রাজনীতিবিদ। তিনি উত্তরপ্রদেশের কেরাকাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক।বাগদান অনুষ্ঠানে ছিলেন জয়া ভাদুরীসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা।

লখনউয়ের একটা হোটেলে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে রিংকু-প্রিয়ার বাগ্‌দান সম্পন্ন হয়। বিশেষ দিনটিতে রিংকু পরেছিলেন সাদা রঙের শেরওয়ানি, যাতে রুপালি সুতার কাজ করা। প্রিয়ার পরনে ছিল হালকা গোলাপি আভার লেহেঙ্গা চোলি, সঙ্গে মানানসই গয়না। দুজনে হাত ধরে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। আতশবাজির উজ্জ্বলতার মাঝেই তারা আংটি বদল করেন। এসময় প্রিয়ার চোখে দেখা দেয় অশ্রু।

পড়াশোনা শেষ করার পর থেকে বাবার সঙ্গে রাজনীতির মাঠে নামেন প্রিয়া। তার সঙ্গে রিংকুর পরিচয় হয়েছিল একজন কমন বন্ধুর মাধ্যমে। প্রিয়ার বাবা তুফানি সরোজ বলেছিলেন, ‘রিংকু এবং প্রিয়া এক বছরের বেশি সময় ধরে একে অন্যেকে চেনে। তারা পরস্পরকে পছন্দও করত। বিয়ের জন্য উভয় পরিবারের সম্মতি প্রয়োজন ছিল। দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তার পর তাদের বিয়ে চূড়ান্ত হয়েছে।’

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক প্রিয়া সাংসদ হওয়ার আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ২০২২ সালে বাবার নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রথম নজর কেড়েছিলেন। এরপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি উত্তরপ্রদেশের মছলীশহর কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। আর রিংকুর গল্প তো সবার জানা। ২০২৩ আইপিএলে যশ দয়ালের এক ওভারে পাঁচ ছক্কা মেরে তিনি আলোচনায় চলে আসেন।