হাসপাতালে আবার শুরু হচ্ছে করোনা পরীক্ষা ও টিকা

দেশে নতুন করে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জটিল রোগে আক্রান্ত, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং কভিড রোগীদের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা আছে এমন ব্যক্তিদের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। এ ছাড়া নতুন করে করোনা পরীক্ষা শুরু ও হাসপাতালগুলোয় রোগীর চিকিৎসায় প্রস্তুত করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর বলেছেন, দেশে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগের পর্যায়ে নয়। প্রতিবেশী তিনটি দেশে সংক্রমণ কিছুটা বেশি হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ (সিডিসি) শাখার লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশীদ বলেছেন, থাইল্যান্ডে সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। ভারত ও মালয়েশিয়াতেও সংক্রমণ বাড়ছে। দেশে এখন করোনার যে ধরন দেখা যাচ্ছে, তা ওমিক্রন বা ওমিক্রনের উপধরন। এর উপসর্গ তীব্র হতে দেখা যায়নি। তবে সতর্ক থাকার কোনো বিকল্প নেই।

গতকাল বুধবার রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এসব সতর্কতা, পরামর্শ ও তথ্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আরটি-পিসিআর ও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা, টিকা সরবরাহ, চিকিৎসা নির্দেশিকা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অক্সিজেন, আইসিইউ সুবিধাসহ বিশেষায়িত কভিড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা। স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় পিপিই, কেএন৯৫ মাস্ক, ফেস শিল্ডসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও মজুদ রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সমন্বয়ে এসব প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাসের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এবং অন্যান্য দেশে ভাইরাসের এই ধরনটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় নতুন সতর্কতা জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভারত এবং ভাইরাস ছড়ানো অন্যান্য দেশে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলেছে। পাশাপাশি ঝুঁকি মোকাবিলায় সব স্থল ও বিমানবন্দরে হেলথ স্ক্রিনিং ও নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে।

নতুন ১০ রোগী : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে ১০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা অনুপাতে শনাক্ত হার ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। রোগীরা সবাই রাজধানীসহ ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এ মাসে রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৬৪ ও নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮৩টি। এ সময় মারা গেছেন একজন। গত ১১ দিনে পরীক্ষা অনুপাতে শনাক্ত হার ১৭ শতাংশ। এ নিয়ে এ বছর এখন পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২১৫ ও মারা গেছেন একজন।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম ৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হন ও ১৮ মার্চ একজন প্রথম মারা যান। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ জন আক্রান্ত ও ২৯ হাজার ৫০০ জন মারা গেছে। ২০২১ সাল ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী। সে বছর মারা যায় ২০ হাজার ৫১৩ জন। এ ছাড়া ২০২০ সালে ৭ হাজার ৫৫৯, ২০২২ সালে ১ হাজার ৩৬৮, ২০২৩ সালে ৩৭ ও ২০২৪ সালে ২২ জন মারা যায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে।

শুরু হচ্ছে করোনা পরীক্ষা : করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলোতে আবারও করোনা পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে আপাতত এ পরীক্ষা হবে সীমিত পরিসরে। গতকালের সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশীদ বলেন, প্রাথমিকভাবে যেসব মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে আরটি-পিসিআর ল্যাব রয়েছে, সেখানেই এই পরীক্ষা শুরু হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে আবার করোনা পরীক্ষা চালু করা যাবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরের হাসপাতালগুলোয় পরীক্ষা চালু হবে। যেসব হাসপাতালে আরটি-পিসিআর ল্যাব রয়েছে, শুধু সেখানেই শুরুতে এই সুবিধা মিলবে।

পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে মহাপরিচালক জানান, অধিদপ্তর ইতিমধ্যে ২৮ হাজার দ্রুত করোনা শনাক্তকরণ ও গতকাল বুধবার ১০ হাজার আরটি-পিসিআর কিট পেয়েছে। এসব কিট আজ-কালের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে পৌঁছানো হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুধু উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিরাই পরীক্ষার আওতায় আসবেন। যাদের দেহে করোনা-সদৃশ উপসর্গ রয়েছে, যেমন  জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, তাদেরই করোনা পরীক্ষা করা হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষার সুযোগ মিলবে অন্য ক্ষেত্রেও।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশীদ বলেন, আমরা চাই না পরিস্থিতি আবার হাতের বাইরে চলে যাক। তাই আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জনগণকে মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত ধোয়া এবং উপসর্গ দেখা দিলে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

চিকিৎসায় প্রস্তুত হচ্ছে হাসপাতাল : গতকালের সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসাইন মো. মইনুল আহসান বলেন, দেশের সব হাসপাতালকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর মহাখালীর উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ডেডিকেটেড কভিড-১৯ হাসপাতালে সাধারণ ৫০ শয্যা ও আইসিইউর ১৫ শয্যা শুধু করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর মুগদা ও কুর্মিটোলা হাসপাতালে পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি করোনা রোগীর জন্য খুলনা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হবে। সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দেশের জেলা পর্যায়ের সব সরকারি হাসপাতালে শয্যা প্রস্তুত করে রাখছেন তারা। বাকি হাসপাতালে শয্যা তৈরির কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

এই কর্মকর্তা বলেন, আশা করি আগামী শনিবারের মধ্যে দেশের সব জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে রোগী থাকুক বা না থাকুক শয্যা প্রস্তুত করে ফেলব। কোনো রোগী আমাদের সরকারি পর্যায়ের হাসপাতালে এলে কখনোই বিনা চিকিৎসায় ফেরত দেওয়া হবে না। আমরা রোগীদের এটুকু আশ্বস্ত করতে চাই।

ফের করোনা টিকা নেওয়ার পরামর্শ : দেশে নতুন করে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় জটিল রোগে আক্রান্ত, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং কভিড রোগীদের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা আছে এমন ব্যক্তিদের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাতে এখন ১৭ লাখ ১৬ হাজার ৯০০ ডোজ টিকা আছে। এই টিকাই আপাতত দেওয়া হবে। এখনো যারা টিকা নেননি তাদের মধ্যে ডিফরেন্ট কনটাক্ট পার্সনের সঙ্গে কাজ করে, অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং যারা ইমিউনো কম্প্রোমাইজড, তাদের টিকা নিতে হবে। পুরনো যারা এরই মধ্যে টিকা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে যারা ষাটোর্ধ্ব, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি আছে, কোমর্বিডিটি আছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদেরও ছয় মাস পর আরেকটা ডোজ দেওয়া উচিত।

সরকারের হাতে মজুদ টিকার কার্যকারিতা প্রসঙ্গে অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশিদ বলেন, ২০২৪-২০২৫ সালের যে টিকা এসেছে, সেগুলো দেওয়ার পরামর্শ এসেছে। কারণ ওই টিকা ওমিক্রনের জন্য সুনির্দিষ্ট করা আছে। তবে বাংলাদেশে যে টিকা আছে সেগুলোও নিরাপত্তা দেবে। আমাদের টিকা আরও পুরনো। ডব্লিউএইচের গাইডলাইন অনুযায়ী কোনো দেশে যদি লেটেস্ট টিকা না থাকে, আগের টিকা দিলেও রোগের সিভিয়ারিটি কমাবে। তারা পরামর্শ দিয়েছে, আগের যে টিকা আছে সেগুলো দেওয়ার জন্য। টিকার জন্য নতুন করে যোগাযোগ এখনো শুরু হয়নি। আমরা শিগগিরই তা করব।

বিমানবন্দরসহ তিন বন্দরেই কড়াকড়ি : সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দেশের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও নৌবন্দরে আইএইচআর ডেস্কগুলোকে আরও সক্রিয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মে মাসে সংক্রমণের হার তীব্র : রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) কভিড-১৯ নজরদারি ডেটা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ বছর মে মাসে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি ছিল। মে মাসে ১ হাজার ৪০৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ কভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে, যা জানুয়ারি ২০২৩- এর পর সর্বোচ্চ।

আইসিডিডিআর,বি-ও জানিয়েছে, গত মাসে কভিড রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে তাদের বিজ্ঞানীরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, বর্তমানে জনসাধারণের বড় ধরনের উদ্বেগের কোনো কারণ নেই এবং কভিড-১৯ এর সাধারণ সতর্কতাগুলো মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

আইসিডিডিআর,বি এবং আইইডিসিআরের যৌথভাবে পরিচালিত হাসপাতাল-ভিত্তিক ইনফ্লুয়েঞ্জা নজরদারি গবেষণায় দেখা গেছে, এপ্রিল মাসে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথমবারের মতো দুটি নতুন ওমিক্রন সাব-ভ্যারিয়েন্ট এক্সএফজি এবং এক্সএফসি শনাক্ত হয়েছে।

গত সোমবার প্রকাশিত আইসিডিডিআর,বি-র এক প্রতিবেদন অনুসারে, গবেষণায় অংশ নেওয়া হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা হওয়া রোগীদের প্রায় ৭ শতাংশের মধ্যে নতুন ধরনের করোনাভাইরাস মিলেছে। বছরের শুরুর দিকে যখন সংক্রমণ প্রায় ছিলই না, তার তুলনায় এই হার অনেক বেশি।

১১ নির্দেশনা : করোনা প্রতিরোধে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকালের সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর বলেন, করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। নতুন উপধরণ শনাক্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে দেশে করোনার বিস্তার রোধে দেশের সব স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো- সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসাধারণের করণীয় : ১. জনসমাগম যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন এবং উপস্থিত হতে হলে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। ২. শ্বাসতন্ত্রের রোগগুলো থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন। ৩. হাঁচি বা কাশির সময় বাহু বা টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখুন। ৪. ব্যবহৃত টিস্যুটি অবিলম্বে ঢাকনাযুক্ত ময়লা ফেলার ঝুড়িতে ফেলুন। ৫. ঘন ঘন সাবান ও পানি কিংবা হ্যান্ডস্যানিটাইজার দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে ফেলুন। ৬. অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ ধরবেন না। ৭. আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।

সন্দেহজনক রোগীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়- ১. জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে থাকুন। ২. রোগীর নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে বলুন। ৩. রোগীর সেবাদানকারীরাও সতর্কতা হিসেবে মাস্ক ব্যবহার করুন। ৪. প্রয়োজন হলে কাছের হাসপাতালে অথবা আইইডিসিআর (০১৪০১-১৯৬২৯৩) অথবা স্বাস্থ্য বাতায়ন (১৬২৬৩)-এর নম্বরে যোগাযোগ করুন।