বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ২০২৫-২৭ মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রাইজিং ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদ হাসান খান। একইভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাতজন সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার বিজিএমইএর নির্বাচিত ৩৫ জন পরিচালকের মধ্য থেকে মনোনয়নের ভিত্তিতে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে আগ্রহী পদপ্রার্থীরা মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।
নতুন কমিটিতে প্রথম সহসভাপতি হয়েছেন কেডিএস গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি হয়েছেন অনন্ত গার্মেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইনামুল হক খান (বাবলু), সহসভাপতি হয়েছেন সফটেক্স কটন প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রেজওয়ান সেলিম, সহসভাপতি (অর্থ) হয়েছেন ফেব্রিকা নিট কম্পোজিট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মিজানুর রহমান। অন্য তিন সহসভাপতি হলেন দেশ গার্মেন্টস লিমিটেডের ডিএমডি ভিদিয়া অমৃত খান, এমিটি ডিজাইন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী ও চৌধুরী ফ্যাশন ওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিক চৌধুরী।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানিয়েছে, গত ৩১ মে বিজিএমইএইর নির্বাচন শেষে গতকাল ২০২৫-২৭ মেয়াদের নতুন অফিস বেয়ারার নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে আটটি অফিস বেয়ারার পদে আটজন প্রার্থী তাদের নমিনেশন জমা দেন এবং বোর্ড তা যাচাই-বাছাই করে। পরে এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। চূড়ান্ত তালিকায় কোনো পক্ষ আপিল না করায় নির্বাচন বোর্ড মনোনয়ন দাখিল করা প্রার্থীদের অফিস বেয়ারার পদে নির্বাচিত ঘোষণা করে।
ফলাফল ঘোষণা করেন বিজিএমইএ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নির্বাচন বোর্ডের সদস্য সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন এবং সদস্য আশরাফ আহমেদ।
বিজিএমইএ প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেন নবনির্বাচিত অফিস বেয়ারারস ও পরিচালকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। বিজিএমইএ নির্বাচন বোর্ড এবং আপিল বোর্ডের সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি।
আগামীকাল বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের তথ্যমতে, এবারের ভোটে ১ হাজার ৮৬৪ জন ভোটারের মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৫৬১ এবং চট্টগ্রামে ৩০৩ জন। এর মধ্যে ঢাকা অঞ্চলে ১ হাজার ৩৭৭ জন বা ৮৮ দশমিক ২১ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২৫৪ জন বা ৮৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
সংগঠনটির ৩৫টি পরিচালক পদের বিপরীতে তিন জোট যথাক্রমে ফোরাম, সম্মিলিত পরিষদ ও ঐক্য পরিষদ থেকে ৭৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এর মধ্যে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ফোরাম ও সম্মিলিত পরিষদের ৩৫ জন করে ৭০ জন পদপ্রার্থী ছিলেন।