নারায়ণগঞ্জে ড্রেনে মিলল যুবকের বস্তাবন্দি লাশ

নারায়ণগঞ্জ সদরের ফতুল্লায় সড়কের পাশের ড্রেন থেকে জনি সরকার নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফতুল্লার পূর্ব শিহাচর লালখাঁ এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে শহরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত জনি সরকার সিলেটের জামালগঞ্জ থানার বিষ্ণুপুর গ্রামের করুনা সরকারের ছেলে।

নিহতের বাবা করুনা সরকার জানান, তিনি ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী ক্রীকেট স্টেডিয়ামে নৈশপ্রহরীর কাজ করেন। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও একমাত্র ছেলে জনিকে (২৫) নিয়ে ফতুল্লার পূর্ব শিহাচর লালখাঁ এলাকায় দুলাল পুলিশের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। জনি মাঝেমধ্যে গার্মেন্টসে কাজ করে আর এলাকার মাদকাসক্ত ছেলেদের সঙ্গে চলাফেরা করে। গত সোমবার রাত ৯টা থেকে জনি নিখোঁজ ছিল। সকালে খবর রটে ড্রেনে একটি বস্তাবন্দি লাশ পড়ে আছে। এরপর পুলিশ এসে বস্তা থেকে লাশ বের করলে জনিকে শনাক্ত করেন তিনি।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, প্লাস্টিকের বস্তায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ড্রেন থেকে জনি সরকারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মারধর বা শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। 

এদিকে ময়মনসিংহের ফুলপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর আবু রায়হান নেহাল (১৭) নামে এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভাইটকান্দি গ্রামের সোবহানের বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত নেহাল ভাইটকান্দি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং ছনধরা ইউনিয়নের হরিনাদী গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, গত ১৩ জুন রাতে ভাইটকান্দি সখল্যা মোড় এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় নেহাল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে গত ১৫ জুন নিহতের ভাই মামুন ফুলপুর থানায় জিডি করেন। একপর্যায়ে গত সোমবার রাত ১০টার দিকে সখল্যা গ্রামের সোবহানের বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা ঢাকনা খুলে লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।