চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিতে নিহত হওয়ার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম, আবু রেজা মো. নেজামুদ্দীন নদভী ও এম এ লতিফকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তফা শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) মফিজ উদ্দিন।
তিনি জানান, পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাবেক এমপি ফজলে করিম, নদভী, লতিফসহ ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে ফজলে করিম চৌধুরী কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন। অন্য আসামিরা হলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর সলিম উল্ল্যাহ, রেখা আলম চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেত্রী জিনাত সোহানা চৌধুরী, মো. আকবর আলী, রেজাউল হাসান সবুজ ও মো. আবুল বশর প্রমুখ।
আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের ৩ আগস্ট সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বহদ্দারহাট এলাকার কাঁচাবাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে সড়ক অবরোধ করে নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের লোকজন এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ৭টা ২৫ মিনিটের দিকে গুলিবিদ্ধ হন শহিদুল ইসলাম। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ১৯ আগস্ট মামলাটি চান্দগাঁও থানায় করেন নিহত ব্যক্তির ভাই। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন।