ক্লাব বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৪-২ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর ফ্ল্যামেংগো কোচ ফিলিপে লুইস স্বীকার করে নিয়েছেন—আন্তর্জাতিক ফুটবলের শীর্ষ আসন এখনো ইউরোপীয় দলগুলোরই দখলে।
ম্যাচের পর হতাশ ফিলিপে বলেন, “তারা যেভাবে চাপ সৃষ্টি করে, তা ভয়ানক। একসাথে আট-দশজন খেলোয়াড় নিয়ে আক্রমণে ওঠে। তারা জেতার যোগ্য দলই ছিল।”
কিন্তু সবচেয়ে আলোচনার জন্ম দেয় তার এই মন্তব্য: "ভিনিসিউস জুনিয়র যদি রিয়াল মাদ্রিদে না যেত, তাহলে বিশ্বসেরা খেলোয়াড় হতো আমাদেরই দলে।” ভিনিসিউসের পেশাদার ক্যারায়ার শুরু ফ্ল্যামেংগোতে। ২০১৭ সালে তিনি রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন।
ফিলিপের এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে ব্রাজিলিয়ান দলগুলোর প্রতিভা থাকলেও, ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর কাঠামো, সুযোগ-সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক এক্সপোজারই খেলোয়াড়দের বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করে।
ফ্ল্যামেংগো কোচ আরও বলেন, “আমাদের পরিকল্পনা খারাপ ছিল না। আমরা চাপে ফেলতে পেরেছিলাম, সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওরা ছিল আরও ভালো। ওদের দলে আছে ফুটবল অভিজাতরা। আমাদের দলেও অনেক ব্রাজিলিয়ান আছে, কিন্তু সেরা ব্রাজিলিয়ানরাই এখন ইউরোপে খেলছে—এটাই বাস্তবতা।
এই ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবগুলোর সম্মান রক্ষার চেষ্টায় থাকা ফ্ল্যামেংগো শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে। মাত্র ১০ মিনিটেই দুই গোল হজম করে তারা। যদিও পরে ব্যবধান কমায়, তবুও বায়ার্নের দাপটই টিকে থাকে পুরো ম্যাচজুড়ে। তারা এখন কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের।
অন্যদিকে, বায়ার্নের কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, “যেকোনো প্রতিযোগিতায় শুধু দক্ষতা নয়, আত্মবিশ্বাসও বড় বিষয়। দক্ষিণ আমেরিকানদের রক্তেই ফুটবল রয়েছে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।”