লিটন নিজেও মুক্তি পান, ক্রিকেটকেও মুক্তি দিন

অধিনায়কের কাজ শুধু নেতৃত্ব দেওয়া নয়, বরং পারফর্মেন্সেও নেতৃত্ব দেওয়া। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস সেই ব্যর্থতার ঘানি টেনে যাচ্ছেন। ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে বাদ পড়েছিলেন। প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও গতকাল আউট হয়েছেন ১১ বলে ৬ রান করে। আউট থেকে বাঁচতে একটি রিভিউ নষ্ট করেছেন। ক্যাপ্টেন্সি নিয়েও প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট অবকাশ ছিল।

একাদশে কেন চার ওপেনার রাখলেন, নাঈম শেখকে কেন চার নম্বরে নামালেন, সাইফউদ্দিন কেন নতুন বলে প্রথম ওভার করলেন- এমন অনেক প্রশ্নই তোলা যায়। সবকিছু ছাড়িয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে তার ব্যাটিং পারফর্মেন্স। ব্যাট হাতে তিনি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারছেন না। দলের বাকীদের তিনি কীভাবে ভালো খেলতে বলতে পারেন? বাইশ গজে লিটনকে দেখে মনে হচ্ছে, তাকে যেন জোর করে খেলানো হচ্ছে! সেইসঙ্গে আত্মবিশ্বাসের অভাব প্রকট।

লিটন এক দশকের ক্যারিয়ারে কখনই ধারাবাহিক হতে পারেননি। সবসময় সমালোচনা মাথায় নিয়েই খেলতে হয়েছে। ক্রিকেট বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরাও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন, লিটনের উচিত ক্রিকেটকে মুক্তি দেওয়া এবং নিজেও মুক্ত হওয়া। অনেকেই মনে করেন, লিটনের বিরতিতে যাওয়া উচিত। ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে নিজেকে ঝালিয়ে ফের আসতে পারেন জাতীয় দলে।

চলতি মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুটি সহ মোট পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। মাঠে নেমে লিটনকে এভাবে ধুঁকতে দেখা এবং ম্যাচ শেষে মুখস্ত বুলি আওড়ে যেতে দেখা খুবই পীড়াদায়ক। গতকালও তিনি মুখস্ত বুলিই বলেছেন, ‘উইকেট ভালো ছিল কিন্তু আমরা খুবই হতাশ। রান তাড়ার জন্য এটা ভালো উইকেট। আমাদের বোলাররাও ভালো, কিন্তু ভালো বোলিং করিনি। যেকোনো ক্রিকেটারের একটা খারাপ দিন আসতেই পারে।’