রাজধানীতে মিটফোর্ড এলাকায় পাথর মেরে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে যুবশক্তি, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠন। সমাবেশ থেকে বক্তারা দেশে কেউ নতুন করে সন্ত্রাসবাদ ও ফ্যাসিবাদ কায়েম করার চেষ্টা করলে তাদের রুখে দেওয়ার ঘোষণা দেন।
শনিবার বিকালে ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে বিক্ষোভ সমাবেশ করে এনসিপির সহযোগী সংগঠন যুবশক্তি ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ।
সমাবেশে ‘জুলাই আন্দোলন’ এর অন্যতম সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের একবছর পূর্ণ হতে না হতেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস আর দখলদারিত্বের রাজনীতি আমরা দেখছি। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এই নতুন বাংলাদেশে আর কেউ চাঁদাবাজ হতে পারবে না। নতুন বাংলাদেশে আর কোনো দখলদারিত্ব চলবে না। নতুন বাংলাদেশে আর কেউ সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে পারবে না।
তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশে আবারও যদি কেউ সন্ত্রাসবাদ ও ফ্যাসিবাদ কায়েম করার চেষ্টা করে, আমরা তাদের রুখে দেব। এই বীর চট্টলার বিপ্লবী ছাত্র-জনতা, বাংলাদেশের বিপ্লবী ছাত্র-জনতা কেউ ঘুমিয়ে যায়নি। যখন হাসিনার বুলেট আমাদের থামাতে পারেনি, বিএনপির পাথরও আমাদের থামাতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা বিএনপিকে বলতে চাই, আপনারা আপনাদের কর্মীদের লাগাম টেনে ধরেন। এদেশে হাসিনা ফ্যাসিবাদ কায়েম করে থাকতে পারেনি।
এদেশে হাসিনা খুন করে থাকতে পারেনি। যদি আপনারা হাসিনা হয়ে উঠতে চান, আপনাদের হাসিনার পথেই যেতে হবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে না পারলে অন্তর্বর্তী সরকারকে সেচ্ছায় পদত্যাগ করার আহ্বানও জানান বাগছাস নেতা খান তালাত রাফি। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা।
এদিকে সারাদেশে চাঁদাবাজি, হত্যা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে শনিবার বিকালে নগরীর মুরাদপুর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। নগরীর জিইসি মোড় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।
সমাবেশে ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি তানজরি হোসেন জুয়েল, দক্ষিণ সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মোহাম্মদ আলী বক্তব্য রাখেন।