শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। দুই ওপেনার—পারভেজ হোসেন ও তানজিদ হাসান ফিরে যান মাত্র দুটি ওভারের মধ্যেই। রান তখন বোর্ডে মাত্র ৫। সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ, শেষ পর্যন্ত সংগ্রহ ১৭৭ রান। আর ঘুরে দাঁড়ানোর নায়ক দুজন—লিটন দাস ও শামীম হোসেন।
দলের হাল ধরেছিলেন লিটন ও তাওহীদ হৃদয়। তারা দুজন গড়েন ৫৫ বলে ৬৯ রানের মূল্যবান এক জুটি। তিন ম্যাচ পর দলে ফেরা হৃদয় খেলেছেন ৩১ রানের কার্যকর ইনিংস। তবে একপ্রান্ত ধরে খেলে সবার মন জয় করে নিয়েছেন লিটন দাস। ১৩ ইনিংস পর ফিরেছেন ফিফটিতে। ৫০ বলে ৭৬ রানের ইনিংসটি ছিল তাঁর টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস।
হৃদয়ের বিদায়ের পর কিছুটা বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। তবে উইকেটে আসেন শামীম হোসেন, আর সেখান থেকেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। দারুণ সব শটে ২৭ বলে করেন ৪৮ রান, যার মধ্যে ছিল ৩টি ছক্কা ও ৩টি চারের মার। শেষ দিকে সাইফউদ্দিনের ছোট এক ক্যামিওও (৫ বলে ৯ রান) দলকে এনে দেয় লড়াই করার মতো সংগ্রহ।
শুরুতে ৬ রানে দুই উইকেট হারানো দলটি শেষ পর্যন্ত থেমেছে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রানে। এই সংগ্রহ কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়, সেটা এখন শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং দেখে বোঝা যাবে। তবে শুরুর ধাক্কা সামলে বাংলাদেশ যে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে, সেটি নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস জোগাবে দলকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ – ২০ ওভারে ১৭৭/৭
লিটন দাস ৫০ বলে ৭৬, শামীম হোসেন ২৭ বলে ৪৮, তাওহীদ হৃদয় ২২ বলে ৩১
বিনুরা ফার্নান্দো ৪-০-৩১-৩