কুমিল্লার মুরাদনগরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ও শুক্রবার দুপুরে মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ফারজানা পরিবহনের ড্রাইভার সোহেলের সঙ্গে মনিরুল হক নামের এক সাংবাদিক ও তার ড্রাইভার শফিকের মারামারির হয়। পরে সাংবাদিক মনিরুল হকের পক্ষে বাখরনগর গ্রামের কিছু লোকজন ফারজানা পরিবহনের কাউন্টারের সামনে এসে ড্রাইভার ও হেলপারদেরকে মারামারির করে। মারধরের একপর্যায়ে বাখরনগর গ্রামের লোকজন ফারজানা পরিবহনের কাউন্টার ভাঙচুর করে।
সেই ঘটনার জেরে শুক্রবার সকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ বাজার এলাকায় মহড়া দেয় ভিংলা বাড়ি গ্রামের লোকজন। একই সময় বাখরনগর গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে ভিংলা বাড়ি গ্রামের লোকজনকে ধাওয়া দিলে শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এতে দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেনাবাহিনীর মোতায়েনের পর কোম্পানীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড এলাকার উত্তর পাশে অবস্থান করে বাখরনগর গ্রামের লোকজন ও দক্ষিণ পাশে অবস্থানে ছিল ভিংলাবাড়ি গ্রামের লোকজন।
মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ফারজানা পরিবহনের ড্রাইভার সোহেলের সঙ্গে মনিরুল হক নামের এক সাংবাদিকের রাস্তায় গাড়ি ক্রসিং নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে সাংবাদিক মনিরুল হকের ড্রাইভার শফিকের সঙ্গে ফারজানা পরিবহনের ড্রাইভার সোহেলের মারামারি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সেনা মোতায়ন রয়েছে।