গাইবান্ধায় মানববন্ধন

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেনসহ সব স্কুল শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্তির দাবি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের স্কুলের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন হয়েছে।

বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরের ডিবি সড়কের গানাসাস মার্কেটের সামনে কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে জেলার প্রায় সাতশত বিদ্যালয়ের পাঁচশতাধিক পরিচালক ও শিক্ষক অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘জুলাই বিপ্লবের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই, শিক্ষা একটি অধিকার, অনুগ্রহ নয়’-লেখা ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে স্লোগান দেন।

সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. আবেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, মো. এনামুল হক নয়ন, আবু সুফিয়ান মো. টিপু, অনিমেশ কুমার রায়, জুয়েল রানা মৃধা, গোলাম রব্বানী, নাহিদ হোসেন খান, হাফেজ আব্দুর সাফি, তন্বী দাস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ১৭ জুলাই প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার একটি পরিপত্র জারি করে, যেখানে কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের স্কুলগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী কিন্ডারগার্টেন স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করছে। তারা বলেন, ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে, কিন্তু এখন তাদের বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে।

এছাড়া, বক্তারা উল্লেখ করেন, সারাদেশে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষিত মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তারা শিক্ষানীতি অনুসারে সকল শিক্ষার্থীর সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পরিপত্রটি প্রত্যাহার ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান।

মানববন্ধন শেষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ একই দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেয়। স্মারকলিপিটি জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদের কাছে  জমা দেন। জেলা প্রশাসক স্মারকলিপি গ্রহণ করে বলেন, বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে পাঠানো হবে।