১৩ শিক্ষার্থীর জন্য পাঁচ শিক্ষক

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে একটি বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল তথা কারিগরি শাখায় ১৩ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছেন পাঁচজন শিক্ষক। জেলার সিরাজদীখান উপজেলার রাজদিয়া আব্দুল জব্বার পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন চিত্রের দেখা মিলেছে।

এদিকে, চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে বিদ্যালয়টির ভোকেশনাল শাখা থেকে ৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে সবেমাত্র একজন শিক্ষার্থী।

গত মঙ্গলবার সরেজমিনে বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, ভোকেশনাল শাখার একটি শ্রেণিকক্ষে মাত্র ৭ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছেন এক শিক্ষক।

বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার সিনিয়র শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ খান জানান, ২০০১ সালে এ বিদ্যালয়ে ভোকেশনাল শাখা চালু হয়। শুরুতে শিক্ষার্থী ছিলেন ৩০ জন। কমে এখন তা দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। তবে ২০২৩ সালের পরীক্ষায় ৯ জন অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছিল। পরের বছর ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ৪ জন। এর মধ্যে ৩ জন উত্তীর্ণ হয়। তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ ২০২৫ সালে ৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে মাত্র একজন। যে বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, সেই বিষয়ের শিক্ষক কয়েক মাস ধরে অসুস্থ থাকায় নিয়মিত ক্লাস নিতে পারেননি। এরই প্রভাব ফলাফলে পড়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মাসউদুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ।