বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ সিদ্দিক বলেছেন, ‘ফ্লাইজোনের আশপাশে গড়ে উঠা উচ্চ ভবনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজউককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে থার্ড টার্মিনাল চালু করাই বড় চ্যালেঞ্জ। আমি এখানে যোগদান করার পরপরই সব পক্ষের সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে অনেক বৈঠক করেছি। সবারই স্বার্থরক্ষা করে টার্মিনালটি চালু করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। দ্রুততার সঙ্গে যেন টার্মিনাল চালু করা যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার। যারা দুর্নীতি করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবেই।’
গতকাল বৃহস্পতিবার বেবিচক সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বেবিচক চেয়ারম্যান হিসেবে এটি তার সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময়।
বেবিচক চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, ‘থার্ড টার্মিনালের দিকে এখন সবার দৃষ্টি। এ কারণে আমার প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দ্রততার সঙ্গে এটি চালু করা। পাশাপাশি কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও দ্রুত সময়ে চালু করা হবে। প্রায় সবকাজই আমরা গুছিয়ে আনছি। অবকাঠামোগত কাজ এখনো কিছু বাকি আছে। এগুলো চলমান রয়েছে। শাহজালালে আরেকটি রানওয়ে তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। আশা করি, দ্রুত সময়ে সুখবর দেওয়া সম্ভব হবে।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা বিমানবন্দরের আশপাশে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে এখন পর্যন্ত ৩০০ ভবন চিহ্নিত করেছি। সংখ্যা আরও বাড়বে। এগুলোর বিষয় রাজউককে ইতিমধ্যে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। আশা করব, তারা ব্যবস্থা নেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেবিচকে যে দুর্নীতি হয় না, এটি আমি বলব না। এটি অস্বীকার করার উপায়ও নেই। কিন্তু এগুলো রোধে কার্যকর ব্যবস্থা থাকবে। আমার চোখের সামনে দিয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না। আমরা সৎ থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করব।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মিডিয়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। আমরা একে-অপরের হয়ে দেশের স্বার্থরক্ষা করে কাজ করতে চাই। এ জন্য আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন, এটাই প্রত্যাশা করি।’ মতবিনিময় সভায় বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।