বিশ্বমানের তৈরি পোশাক কারখানার ২৫৮টি এখন বাংলাদেশে। সম্প্রতি আরও ৫টি তৈরি পোশাক কারখানা তাদের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) থেকে সনদ পেয়েছে। যার ফলে দেশে মোট পরিবেশবান্ধব আন্তর্জাতিক মানের কারখানার সংখ্যা ২৫৮ দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৩২টি। এ হিসাবে চলতি বছর ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ২৬টি তৈরি পোশাক কারখানা ইউএসজিবিসি সনদ পেয়েছে। এ ছাড়া ৫৫০টির বেশি কারখানা গ্রিন ফ্যাক্টরি হতে রেজিস্ট্রেশন বা পাইপলাইনে রয়েছে। সবুজ কারখানার তালিকায় বাংলাদেশের পরের অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া।
গতকাল বুধবার পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের (ইউএসজিবিসি) এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন (এলইইডি) গ্রিন ফ্যাক্টরি বা সবুজ কারখানার সার্টিফিকেশন দিয়ে থাকে।
নতুন করে তালিকায় যুক্ত কারখানা পাঁচটি হচ্ছে আশুলিয়ার সাউথ ইন্ড সোয়েটার কো. লিমিটেড, সিরাজগঞ্জের পূর্বানী ফ্যাশন লিমিটেড, চট্টগ্রামের কেডিএস ফ্যাশন লিমিটেড, ময়মনসিংহের রাইদা কালেকশনস লিমিটেড ও গাজীপুরের টেক্সরোপ বিডি লিমিটেড।
এদিকে শীর্ষ ১০০টি সবুজ কারখানার মধ্যে বাংলাদেশেই রয়েছে ৬৮টি। একক দেশ হিসাবে অন্য কোনো দেশে শীর্ষ ১০০টি সবুজ কারখানার মধ্যে ১০টিও নেই। পাকিস্তানে আছে ৭টি। উএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের (ইউএসজিবিসি) তথ্যমতে, দেশে এখন সবুজ কারখানা ২৫৮ টি। এর মধ্যে প্লাটিনাম ক্যাটাগরির ১০৯টি, গোল্ড ১৩৩টি, সিলভার ১২টি ও সার্টিফাইড ক্যাটাগরির চারটি।
প্রতিটি লিড-সনদপ্রাপ্ত কারখানা কেবল একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নয়, বরং এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যতের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিচ্ছবি।