স্টার্স অ্যাকাডেমির কাছে ৩ উইকেটে হেরে সেমির স্বপ্ন ফিকে হয়ে গেলো সোহানদের

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির গতবারের আসরে রানার্সআপ হয়েছিল বাংলাদেশ হাইপারফরম্যানস টিম (এইচপি)। এবারের আসরে অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরি ক্রিকেটের আয়োজনে ডারউইনে পাঠানো হয় বাংলাদেশকে ‘এ’ দলকে। ছয় ম্যাচের লিগ পর্বের পঞ্চম ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশের আসরে টিকে থাকার মঞ্চ।  বাঁচা-মরার ম্যাচে বিগ ব্যাশের ফ্র্যাঞ্চাইজি মেলবোর্ন স্টারস অ্যাকাডেমিকে ১৫৭ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। রান তাড়ায় ৪ বল আর ৩ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্য ছোঁয় স্টার্স। ফলে এই হারের সঙ্গে এবারের আসরের সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্নও ফিকে হয়ে গেলো সোহানদের।

ডারউইনের ডিএক্সসি অ্যারেনায় স্টার্স অ্যাকাডেমির বিপক্ষে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের । দলীয় ২৭ রানের সময় নিজের ১৩ রানেই ফিরে যান ওপেনার জিশান আলম। এর পর পঞ্চাশ না পেরোতেই আরও ২ ‍উইকেট হারায় বাংলাদেশ। টানা দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে ধাক্কাটা দেন হামিশ ম্যাকেনজি। পরে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলা সাইফ হাসানকে আউট করে মেলবোর্নের সেরা বোলারও হন এই চায়নাম্যান স্পিনার। বোলিং কোটা শেষ করেন ২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে। নাঈম শেখ করেন ২১ বলে ১৯ রান। আসরের আগের চার ম্যাচে তার স্কোর যথাক্রমে ৫, ২৫, ৫ ও ২৫। পাকিস্তান শাহিনসের সঙ্গে ৬ রানে ফেরার পর বাকি তিন ম্যাচেই অপরাজিত চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলা আফিফ হোসেন এদিন ফেরেন রানের খাতা না খুলেই।

তবে ওই ধাক্কার পর প্রাথমিক সামাল দেন সাইফ ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। চতুর্থ উইকেটে ৬৩ রানের জুটি গড়েন দুজন। ২৭ বলে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে সোহান আউট হওয়ার পর আবার নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। শঙ্কা জাগে লড়াইয়ের পুঁজি গড়ার। তবে সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে দলকে ১৫৬ রানের সংগ্রহ এনে দেন ইয়াসির আলী রাব্বি। শেষ দিকে সমান ২ চার ও ছক্কায় ১৭ বলে ২৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। ৩৫ বলে ৪৫ রান করেন সাইফ।

রান তাড়ায় ৮১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল স্টার্স অ্যাকাডেমি। কিন্তু দলের হাল ধরেন জনথন মার্লো। ৩৮ বলে তার ৬১ রানের ইনিংসের সুবাদে ঠিক পথে থাকে স্টার্স। জয় থেকে ১১ রান দূরে থাকতে আউট হন তিনি। বাকি পথটুকু যেতে স্টার্সের কোনো সমস্যা হয়নি। এছাড়া ১৮ বলে ২৯ রান করেন স্যাম হারপার। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেন রাকিবুল হাসান ও হাসান মাহমুদ।