তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের দাবি এখন পাঁচটি। নবম গ্রেডে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্ধারিত ৩৩ শতাংশ কোটা বাতিল; দশম গ্রেডে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য থাকা ১০০ শতাংশ কোটা বাতিল; বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া কেউ ইঞ্জিনিয়ার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না এমন তিনটি দাবিতে গত ২৪, ২৫ ও ২৬ আগস্ট ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে গত ২৩ আগস্ট ‘প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে কর্মসূচিগুলো ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৬ আগস্ট শাহবাগ অবরোধ করেন তারা। পরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) একাধিক প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলনে অংশ নেন। গতকাল বুধবার আগের ঘোষণা মতো সকালে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন দেশের বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এক ঘণ্টার মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি পূরণ করা না হলে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। জলকামান দিয়ে পানি ছোড়ে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ ঘটনায় পুলিশ-শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৩০ জন আহত হন। আন্দোলন কেন্দ্র করে নগর জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।
গতকাল রাতে রেলভবনে সরকারের দুই উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানান, আলোচনা হয়েছে। আজ পুরো কমিটি আবার আলোচনায় বসবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করা পুলিশ প্রতিনিধিরা ক্ষমা চাইবেন।
এরপর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী গতকাল রাত ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের কাছে এসে এই দুঃখ প্রকাশ করেন। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘তোমরা আমার পরম স্নেহের। আমার ছেলের বয়সও তোমাদের বয়সের চেয়ে বেশি। তোমাদের এ কষ্ট আমাকেও কষ্ট দেয়।’ তিনি বলেন, ‘হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, সেজন্য আমি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে অত্যন্ত দুঃখিত এবং দুঃখ প্রকাশ করছি। এ অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য একটা তদন্ত কমিটি আমি আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) গঠন করে দেব।’
এর কিছুক্ষণ পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার সারা দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ মোড় ছাড়তে শুরু করেন।
গতকাল প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা পূর্বঘোষিত ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শাহবাগে আন্দোলন করছিলেন। দুপুর পর্যন্ত সবকিছু ঠিক থাকলেও দেড়টার দিকে শিক্ষার্থীরা হঠাৎ যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ডিএমপি রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, ‘শাহবাগ মোড়ে বুয়েটসহ অন্য বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার যারা আছেন, তারা আসছিলেন। তারা মঙ্গলবার ও তার আগের দিন সোমবার শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন। শাহবাগের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তারা অবস্থান নিয়েছিলেন। আমরা কিন্তু তারপরও তাদের কিছুই বলিনি। আমরা তাদের সরে যাওয়ার জন্য কয়েকবার রিকোয়েস্ট করেছিলাম। সকালে আমরা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছিলাম। তারা অনেক পজিটিভ ছিলেন। ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারিও হয়ে গেছে, যেটা তারা চাচ্ছিলেন।’
ডিসি মাসুদ আরও বলেন, ‘যখন তারা এদিকে চলে আসেন (যমুনামুখী), তার আগে তাদের যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের সঙ্গে আমার কথা হচ্ছিল। তখন তারা যেটা বলছিলেন যে, এখানে সর্বোচ্চ আধা ঘণ্টা থাকবেন। যদি এর মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হয়, তাহলে তারা সচিবালয় অভিমুখে চলে যাবেন। এরপর হুট করে তারা যমুনার দিকে দৌড়ে চলে এলেন। আমরা পেছনে পেছনে দৌড়ে আসছি। তারা ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এসে আমাদের ব্লকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে এগিয়ে গেছেন। এরপর আমাদের কিছু ফোর্স সেখানে জড়ো হয়ে তাদের প্রতিরোধ করে আস্তে আস্তে পেছনের দিকে ঠেলে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। কোনো কাজ হয়নি। আমরা ওয়াটারগান (জলকামান) মেরে তাদের হালকা ছত্রভঙ্গ করেছি। তারপর তারা আবার এখানে (শাহবাগ মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন) এসে অবস্থান নেন।’
সংঘর্ষে পুলিশ-শিক্ষার্থীসহ আহত অনেকে : প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় ডিসি মাসুদ আলমসহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বুয়েট শিক্ষার্থীদের দাবি, পুলিশের লাঠিচার্জ-টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেডে কমপক্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে যমুনার সামনে বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু যাওয়ার পথেই পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। লাঠিচার্জ করে আমাদের ভাইদের আহত করেছে। এদিকে শিক্ষার্থীদের পাথর ও ইট নিক্ষেপে বেশ কয়েকজন পুলিশও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ডিসি মাসুদ আলম বলেন, ‘আমাদের বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। আন্দোলনকারীরা প্রচুর ইট মেরেছে। তাদের কাছে হেক্সা ব্লেড বা চাকু টাইপের ছিল। যেটা মারার কারণে আমাদের কয়েকটা ছেলে আহত হয়েছে। আমারও ইট লেগেছে, যেহেতু আমি সামনে ছিলাম আহত হয়েছি।’
যৌক্তিকতা নিরীক্ষায় কমিটি গঠন : প্রকৌশল পেশায় বিএসসি ডিগ্রিধারী ও ডিপ্লোমাধারী ব্যক্তিদের পেশাগত দাবির যৌক্তিকতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করেছে সরকার। গতকাল সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আট সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। সদস্য উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার, উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, প্রকৌশলী মো. কবির হোসেন, প্রকৌশলী তানভির মঞ্জুর ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটি এক মাসের মধ্যে সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করবে। কমিটি প্রয়োজনবোধে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা। দাবিগুলো হলোÑ ১. প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় আন্দোলনকারীদের সামনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং জবাবদিহি করতে হবে। ২. প্রজ্ঞাপন হওয়া গঠিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিসহ প্রকৌশল আন্দোলনের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে কমিটি গঠনের অনুরোধ এবং তিন দফা দাবিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মেনে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। ৩. শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ডিসি মাসুদকে বহিষ্কার করতে হবে। ৪. হামলায় আহত সব শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় ব্যয়ভার সরকারকে বহন করতে হবে এবং আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ দিয়ে এই যৌক্তিক আন্দোলনে আর কোনো প্রকার হামলা করা যাবে না। ৫. ‘রোকন ভাইয়ের’ ওপর হামলাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
চট্টগ্রামে চুয়েট শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ : রাজধানীতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গতকাল চট্টগ্রামের ষোলশহরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা হলেও সন্ধ্যা ৬টায় পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিল।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ৭ দাবি : ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ সংরক্ষণসহ সাত দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবীরা। গতকাল দুপুর ১২টায় এ স্মারকলিপি দেন তারা। তাদের দাবিগুলো হলোÑ ১. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সংরক্ষিত উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ সংরক্ষণ। ২. ১৯৭৮ সালের সরকারি প্রজ্ঞাপনের আলোকে উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি ৫০ শতাংশে উন্নীত করা। ৩. প্রকৌশল কর্মক্ষেত্র ফিল্ড ও ডেস্ক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিভাজনপূর্বক ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও ডেস্ক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের নিযুক্তকরণ। ৪. জাতীয় মেধার অপচয় রোধে প্রকৌশলীদের পেশা পরিবর্তন বন্ধ। ৫. আন্তর্জাতিক ইঞ্জিনিয়ারিং টিম কনসেপ্ট অনুযায়ী ১:৫ অনুপাতে সব প্রকৌশল সংস্থার জনবল কাঠামো প্রণয়ন। ৬. ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের কারিকুলাম ইংরেজি ভার্সনে আধুনিকায়ন, সব পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট, টিএসসিতে ১:১২ অনুপাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিবেচনায় শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণ। ৭. পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং সব প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীদের ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা।
এর আগে একই দাবিতে গতকাল বেলা ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনের সামনে গণজমায়েত করে বিক্ষোভ করে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র-শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদ। একপর্যায়ে মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়ার পথে তাদের ধাওয়া দেয় পুলিশ। পরে গণজমায়েতে পলিটেকনিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. আখেরুজ্জামান ও সদস্য সচিব প্রকৌশলী মো. ইমাম উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যমুনায় গিয়ে স্মারকলিপি দেয়। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে তার একান্ত সচিব স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।
আন্দোলনে যানজট-ভোগান্তি : প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচিতে বন্ধ হয়ে যায় রাজধানীর শাহবাগ মোড়। এতে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে আশপাশের এলাকায়, সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। গতকাল বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবিতে শাহবাগ সড়ক অবরোধ করলে এই যানজট সৃষ্টি হয়।
সরেজমিন দেখা গেছে, শাহবাগ মোড় থেকে কাঁটাবন, মৎস্য ভবন, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়সহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কেউ কেউ হেঁটে যাচ্ছেন গন্তব্যে, সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন হাসপাতালে যাতায়াত করা রোগী ও স্বজনরা। ডিসি মাসুদ আলম বলেন, যানজটের ভোগান্তি এড়াতে কাঁটাবন, মৎস্য ভবন এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে বিকল্প রাস্তা চালু করা হয়।