চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হয়ে অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশির ভাগেরই মাথায় আঘাত লেগেছে। কারো হাত-পা ভেঙেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘চবির ৫০ শিক্ষার্থী চমেকে ভর্তি আছেন। তাদের বেশিরভাগই মাথায় আঘাত পেয়েছেন। তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
চমেক হাসপাতালের শীর্ষ এই কর্মকর্তা মোবাইল ফোনে রবিবার বিকেল চারটার দিকে দেশ রূপান্তরকে জানান, শনিবার রাত ও আজ রোববার দুপুর মিলিয়ে আহত হয়ে আসা শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।
এদিকে সংঘর্ষের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুই শিক্ষার্থীকে ভবনের ছাদে কুপিয়ে সেখান থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে শিক্ষার্থীরা উদ্ধার করে রবিবার দুপুরে চমেক হাসপাতালে আনা হয়েছে। ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের নাম রাজিউর রহমান রাজু। তিনি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র, তবে বিভাগের নাম জানা যায়নি। আরেকজনের নাম জানা যায়নি।
আহত শিক্ষার্থী চবির ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী শবনম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের দিকে একসাথে ইট ছুড়তে থাকে স্থানীয়রা। মাথায় আঘাত পেয়ে চোখে অন্ধকার দেখি। পরে বন্ধুরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
চবি মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. মুহাম্মদ টিপু সুলতান বলেন, শতাধিক শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহতদের আমরা চমেকে পাঠিয়েছি। বেশির ভাগের মাথায় আঘাত লেগেছে.