অবকাঠামো উন্নয়নসহ তিন দাবিতে গত এক মাস ধরে আন্দোলন পর গণঅনশনে বসেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সাত শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর নিচে বসে গণঅনশন শুরু করে তারা।
রাত দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে অনশন থেকে সরানো চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে অনশনরতদের পাশেই একটি মশারি টানিয়ে শুয়ে পড়েন তিনি।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে, উপাচার্য ড. তৌফিক আলম গ্রাউন্ড ফ্লোরের লিফটের পাশে মশারি টানিয়ে ঘুমিয়ে আছেন। আর তার ডানে অনশনরত সাত শিক্ষার্থী ঘুমাচ্ছেন।
অনশনরত সাত শিক্ষার্থী হলেন- ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিলা জামান সেঁজুতি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অমিয় মন্ডল, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের তাজুল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের মো. আবুবকর সিদ্দিক, দর্শন বিভাগের পিয়াল হাসান, লোকপ্রশাসনের তামিম আহমেদ রিয়াজ ও আইন বিভাগের শওকত ওসমান স্বাক্ষর।
এর আগে অনশন চলাবস্থায় রাত ১১টার দিকে প্রক্টোরিয়াল বডি নিয়ে উপাচার্য ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও অনশনে অনড় ছিলেন ববির শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, উপাচার্য মনে করেছেন তার সন্তানদের নিরাপত্তায় সমস্যা হতে পারে। তাই তিনিও রাতে তাদের কাছাকাছি দূরত্বে শুয়ে পড়েছেন। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক বলে মনে করেন।
শিক্ষার্থীদের তিন দাবি হলো: মাত্র ৫০ একর আয়তনের ববির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আয়তন বৃদ্ধি ও পরিবহনসংকট দূরীকরণ।