নেইমার এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ছাড়াই ঘরের মাঠে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েছে ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে তারা চিলিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারকাবিহীন ব্রাজিল এ ম্যাচে যেভাবে খেলল, তাতে বিশ্বকাপের জন্য খেলোয়াড় বাছাই করতে মধুর সমস্যায় পড়তে হবে কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। দলের এই অবস্থায় ভীষণ তৃপ্ত ব্রাজিল কোচ।
ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বলেছেন, ‘মারাকানায় আজ অসাধারন পরিবেশ ছিল। দলের প্রতি সমর্থকদের অনেক ভালোবাসা দেখেছি। আমরা ছন্দ ও রক্ষণ ধরে রেখে গতিময় ফুটবল খেলেছি। সমর্থকেরা যেমন খুশি, দলের পারফরম্যান্সে আমরাও তেমন খুশি। আমরা সিরিয়াস একটা ম্যাচ খেলেছি। প্রথমার্ধে রক্ষণে জোর দিলেও যখন গোলের দেখা পাই, তারপর খেলা আমাদের জন্য সহজ হয়ে যায়।’
ব্রাজিলের শেষ দুটি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন লুইস হেনরিক। এই ফরোয়ার্ডের প্রশংসায় আনচেলত্তি বলেন, ‘লুইস হেনরিক অসাধারণ প্রতিভাবান। শারীরিকভাবে শক্তিশালী এবং ওয়ান অন ওয়ান পরিস্থিতিতে দুর্দান্ত। তাজা অবস্থায় মাঠে নেমে সে খেলার গতি পাল্টে দিয়েছে। যখন সে সতেজ আর অন্যরা ক্লান্ত, তখনই পার্থক্য তৈরি হয়েছে। জাতীয় দলের জন্য এমন খেলোয়াড় থাকা দারুণ ব্যাপার।’
বিশ্বকাপ সামনে রেখে ব্রাজিলের বর্তমান স্কোয়াডের অবস্থা নিয়ে আনচেলত্তির বক্তব্য, ‘এখন আমাদের নিয়মিত পারফর্মারদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী একটা স্কোয়াড আছে, যাদের ওপর নির্ভর করা যায়। আমি নিশ্চিত পরে ২৫ বা ২৬ জনের তালিকা করতে হবে। এটা কঠিন কাজ, তবে ইতিবাচকও। আজকের পারফরম্যান্সে আমি খুব খুশি। যারা বদলি হিসেবে নেমেছে, তারাও খেলার গতি বদলেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন ওঠে- এ মুহূর্তে ব্রাজিলের স্থায়ী একাদশ বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ, নাকি নতুনদের সুযোগ দেওয়া? জবাবে ব্রাজিল কোচ বলেন, ‘প্রথমত, আমাদের ভিত্তি তৈরি করতে হবে। গত তিন ম্যাচে আমরা দেখিয়েছি দলের রক্ষণ কতটা দৃঢ়। তিন ম্যাচেই আমরা ভালোভাবে রক্ষণ সামলেছি। এছাড়া খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত মান পার্থক্য গড়ে দেয়। এই ধারায় এগোতে হবে। গোল না খেয়ে আমরা যেভাবে খেলেছি, তাতে জয়ের সুযোগ অনেক বেশি থাকে।’