জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা হওয়ার আগে আর দশজনের মতোই ক্রিকেটভক্ত ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ওই সময় তার কাছে যারা ছিলেন স্বপ্নের নায়ক, তাদেরকে তিনি এখন নতুন করে চিনেছেন। তাদের অনেকেই জড়িয়েছেন অনৈতিক কাজেও। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সোমবার আলোচনায় কোনো রাখঢাক না করেই এই আক্ষেপের কথা জানান অন্তবর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা।
আসিফ মাহমুদকে প্রশ্ন করা হয়েছিল- উপদেষ্টা হওয়ার পর কোন বিষয়টিতে তিনি সবচেয়ে বেশি শকড হয়েছেন? জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো একজন ফ্যান ছিলাম। নানা সময়ে লেখালেখিও করেছি, পরবর্তীতে কিছু হাইড করে ফেলতে হয়েছে পেশাদারিত্বের কারণে। তবে বাইরে থেকে যা দেখা যায়, ভেতর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আপনারা জানেন সেসব, না জানার কথা নয়। আমার চেয়েও হয়তো বেশি জানেন।’
গত প্রায় ১৩ মাস ধরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এই অভিভাবক আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি দেখেছি যে, আমি যে খেলোয়াড়দেরকে বা যাদেরকে প্রিয় খেলোয়াড় মনে করতাম বা উদযাপন করতাম এক সময়, তারা এখানে অনেক ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত, যা আসলে লজ্জাজনক। এটা আমাকে সবচেয়ে বেশি ‘শক’ করেছে এবং নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে যে, আসলে কী।’
সম্প্রতি দেশের ক্রিকেটে ফিক্সিং নিয়ে তদন্ত চলছে। একটি প্রাথমিক প্রতিবেদনও জমা পড়েছে বিসিবিতে। কারও নাম উল্লেখ না করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এখানে (ফিক্সিং) আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি। আপনারাও জানেন, খেলাধুলায় আসলে আন্তর্জাতিকভাবেই বিষয়গুলো হয়, ফিক্সিং থেকে শুরু করে বুকি বা এই ধরনের কাজ। এগুলো সমাধানে আমরা চেষ্টা করছি, বিসিবি চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে কোনো ধরনের খেলায় এসব যেন না থাকে, সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি। এখানে বুলবুল ভাই (বিসিবি সভাপতি) আছেন। উনাকে নির্দেশনা দেওয়া আছে। উনি বিষয়টি দেখছেন।’