এশিয়া কাপে মাঠের লড়াই যেমন তুমুল নাটকীয়, মাঠের বাইরেও সমান উত্তেজনা চলছে দুবাই আর লাহোরে। এবার সেই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু সরে যাচ্ছে বোর্ডরুমে। কারণ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা বসছে মাসের শেষে। দুই মাস আগে ঢাকায় হঠাৎ স্থগিত হওয়া এই সভা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রিকবাজ।
এশিয়া কাপের ফাইনালের দুই দিন পর বসতে যাওয়া এই বৈঠকে উত্তাপ ছড়ানোর আভাস মিলছে আগেভাগেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সভাপতিত্বে এজিএমে আলোচনায় উঠতে পারে চলমান টুর্নামেন্টে জন্ম নেওয়া নানা বিতর্ক, সঙ্গে থাকছে ২৪ জুলাই ঢাকার সভায় ঝুলে থাকা কিছু অমীমাংসিত বিষয়ও।
এখনও এজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি। তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হ্যান্ডশেক বিতর্ক, ম্যাচ রেফারিকে ঘিরে জটিলতা, পাকিস্তানের টুর্নামেন্ট ছাড়ার হুমকি—এসব নিয়েই যথেষ্ট আলোচনার খোরাক তৈরি হয়ে গেছে। এর বাইরেও নতুন কোনো বিতর্ক তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে কে জিতবে শিরোপা, কে ট্রফি প্রদান করবেন আর পুরস্কার বিতরণী কেমন হয়—এসব নিয়েও।
সভায় ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) থেকে কারা যোগ দেবেন, তা্কও টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ একই দিনে ভারতের গৌহাটিতে শুরু হচ্ছে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ফলে বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা উদ্বোধন অনুষ্ঠানেই ব্যস্ত থাকবেন। বিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিত্ব করবেন কারা, তা নির্ধারণ হবে দুদিন আগে ২৮ সেপ্টেম্বর, মুম্বাইয়ে বসা বোর্ডের নিজস্ব এজিএমে। বর্তমানে রাজীব শুক্লা ও আশিষ শেলার এসিসিতে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত আছেন। ঢাকার বৈঠকে তারা ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।
৩০ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হবে এসিসির সহ–সভাপতি নির্বাচন। ঢাকার সভায় বিসিসিআই আপত্তি তোলায় সেই নির্বাচন আটকে গিয়েছিল। এবার আলোচনায় বিষয়টি তোলা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) মহাসচিব মোবাসশির উসমানি এ পদে প্রার্থী হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এসিসির এজিএম সামনে রেখে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি২০–এর (আইএলটি২০) নিলামও পিছিয়ে গেছে। ৩০ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে হওয়ার কথা থাকলেও সেটি এখন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ১ অক্টোবর, ভেন্যু অবশ্য আগের মতোই দুবাই।