শ্রীলঙ্কার জয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে বাংলাদেশ

আবুধাবীতে খেলছিল শ্রীলংকা-আফগানিস্তান। দুবাইয়ে অধীর আগ্রহ নিয়ে সেই ম্যাচ টিভি স্ক্রিনে দেখছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। কারণ এই ম্যাচে শ্রীলংকার জয়-পরাজয়ে লিটনদের সুপার ওভারে ওঠা নির্ভর করছিল। শেষপর্যন্ত শ্রীলংকা বাংলাদেশকে স্বস্তি দিয়েছে। আফগানদের দেয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৬ উইকেটের জয়ে এ গ্রুপে সেরা হয়েছে তারা। এবং বাংলাদেশ গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে উঠেছে সুপার ফোরে। শনিবার এই শ্রীলংকার সংগে ম্যাচ দিয়েই সুপার ফোর শুরু করবে বাংলাদেশ।

আবুধাবিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নুয়াম তুষারার পেস তোপে বিপর্যয়ে পড়ে আফগানিস্তান। ১৭ ওভারে তাদের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ১১৪। ১৮৩ম ওভারের প্রথম বলে রশিদ খান ( ২৩ বলে ২৪) রান করে আউট হয়ে গেলে মনে হচ্ছিল বড় স্কোর গড়তে পারবে না। কিন্তু অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবি সেখন থেকে ১৬৯ এ নিয়ে যান সংগ্রহকে। ২২ বলে ৬০ রান করেন তিনি। ৬ টি ছক্কা হাকান তিনি। এর ৫ টিই মেরেছেন নবি ইনিংসের শেষ ওভারে।

ক্যামিওতে শ্রীলংকাকে জয় এনে দেন কামিন্দু। ছবি- মোশারফ ভুবন

বাংলাদেশকে সুপার ওভারে উঠতে সমীকরণ দাড়ায় হয় শ্রীলঙ্কার জয়, নাহলে তাদের হারের ব্যবধান যেনে কমপক্ষে ৬৯ রান হয়। লংকান ওপেনারার ব্যর্থ হলেও কুশল পেরেরা, আসালংকা ও কামিন্দু মেন্ডিসকে নিয়ে ৯ বল হাতে রেখেই জয় এনে দেন কুশল মেন্ডিস। ১৯তম ওভারে মুজিবকে পরপর দুটি চার মেরে ৭৪ রানে  (৫২ বলে, ১০ বাউন্ডারি) অপরাজিত থাকেন তিনি।

বাংলাদেশ শনিবার শ্রীলঙ্কার সংগে ম্যাচ দিয়ে দুবাইয়ে শুরু করবে সুপার ফোর। ২৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের সংগে ম্যাচ খেলে পরদিনই ভারতের সংগে খেলবে শেষ ম্যাচ। 

আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ১৬৯/৮ (নবী ৬০, জাদরান ২৪, রশিদ ২৪, আতাল ১৮, গুরবাজ ১৪; তুষারা ৪/১৮, শানাকা ১/২৯, ভেল্লালাগে ১/৪৯, চামিরা ১/৫০)। 

শ্রীলঙ্কা: ১৮.৪ ওভারে ১৭১/৪ (কুশল মেন্ডিস ৭৪*, কুশল পেরেরা ২৮, কামিন্দু মেন্ডিস ২৬*, আসালাঙ্কা ১৭; ওমরজাই ১/১০, নবী ১/২০, নুর ১/৩৭, মুজিব ১/৪২)। 

ফল: শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: কুশল মেন্ডিস