ছেলে ব্যালন ডি'অর না জেতায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লামিন ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাউই। এবারের আসরে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর ফরাসি ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলেকে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দেওয়া হয়। আরেক প্রার্থী বার্সেলোনার তরুণ তারকা ইয়ামাল পিছিয়ে পড়ায় খোলাখুলিভাবেই অসন্তোষ প্রকাশ করেন তার বাবা।
ফ্রান্স ফুটবলের আয়োজিত সারা বিশ্বের সাংবাদিকদের ভোটে সেরা খেলোয়াড় হিসেবে দেম্বেলেকে বেছে নেওয়া হয়। অথচ অনেকের চোখে প্রধান প্রার্থী ছিলেন মাত্র ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল। পুরস্কার ঘোষণার পরই নাসরাউই ক্ষোভ উগরে দেন মিডিয়ার সামনে। তিনি বলেন,“লামিন ইয়ামালই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। এটা আমি বাবা বলে বলছি না, বাস্তবেই সে সেরা। এখানে কিছু অস্বাভাবিক ঘটেছে। তবে আগামী বছর ব্যালন ডি’অর স্পেনের হবে।”
স্প্যানিশ চ্যানেল 'দ্য বিচ বার'-এ ভিডিও কল সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, “আমি এটাকে চুরি বলব না, তবে এটা একজন মানুষের প্রতি বড় ধরনের মানসিক আঘাত।' এসময় তিনি দৃঢ় কণ্ঠে দাবি করেন, ইয়ামালের তুলনায় বাকি খেলোয়াড়রা অনেক পিছিয়ে আছেন।
ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে হেরে গেলেও দ্বিতীয়বারের মতো কোপা ট্রফি জিতে নিয়েছেন ইয়ামাল। ২১ বছরের নিচের সেরা ফুটবলারকে দেওয়া হয় এ পুরস্কার, যা আগের ব্যালন ডি’অর জয়ীরা ভোট দিয়ে ঠিক করেন। এবার তিনি পিএসজির দুই তরুণ তারকা দেজিরে দুয়ে ও জোয়াও নেভেসকে ছাড়িয়ে সেরা নির্বাচিত হন। তালিকায় ছিলেন বার্সার সতীর্থ পাও কুবারসি ও চেলসির এস্তেভাও।
এটাই প্রথম নয়, এর আগে জুলাইয়ে জন্মদিন উদযাপনকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়লে সন্তানের পক্ষ নিয়ে সরব হয়েছিলেন নাসরাউই। তখন তিনি বলেছিলেন,“মানুষ কাছে যা আছে তা দেখছে না, দূরের দিকে তাকিয়ে হিংসা করছে। আমার ছেলে এখনো তরুণ, সদ্য ১৮ বছর পূর্ণ করেছে। জীবন উপভোগ করার অধিকার তারও আছে।” ব্যালন ডি’অর না পেলেও ইয়ামালের ভবিষ্যৎ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তার বাবা। তার ভাষায়, “আগামী বছরই আসল স্বীকৃতি পাওয়া যাবে।”