আজকের দিনেই বাংলাদেশকে কাঁদিয়েছিল ভারত; ম্যাচসেরা হয়েছিলেন লিটন

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫। আর কয়েকঘণ্টা পরই রাত সাড়ে ৮টায় এশিয়া কাপের ফাইনালে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে দৃষ্টি সারা ক্রিকেটবিশ্বের। ৭ বছর আগে এই ২৮ সেপ্টেম্বরই এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত। ম্যাচটিতে শেষ বলে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়ে ভারত হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন।

২০১৮ এশিয়া কাপ ফাইনালের ভেন্যু ছিল সেই দুবাই, যেখানে আজ খেলবে ভারত-পাকিস্তান। ওয়ানডে ফরম্যাটের সেই আসরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ তুলেছিল ২২২ রান। ওপেনিংয়ে নেমে লিটন দাস খেলেছিলেন ১১৭ বলে ১২ চার ২ ছক্কায় ১২১ রানের ইনিংস, যা তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কার এনে দেয়।

৩ উইকেট নেওয়া কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার ধসে পড়ায় স্কোর আর বড় হয়নি। বাংলাদেশের ৮ ব্যাটার দুই অংকেই যেতে পারেননি। লিটনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছিলেন সৌম্য সরকার, ৩২ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ছিলেন না সাকিব-তামিমের মতো দুই সুপারস্টার।

তবে এই মাঝারি টার্গেট তাড়ায় নেমেই ধসে বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ের ধসে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন দলটির কেউ ফিফটি করতে পারেননি। ওপেনিংয়ে নেমে অধিনায়ক রোহিত সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন। আর কেউ চল্লিশের ঘরে যেতে পারেননি।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে আগুন ঝরান মুস্তাফিজুর রহমান এবং রুবেল হোসেন। দুজনের মধ্যে মুস্তাফিজ ১০ ওভারে মাত্র ৩৮ রানে নেন ২ উইকেট। রুবেল ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ২৬ রানে নেন দুটি। শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ৬ রান। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বল তুলে দেন মাহমুদউল্লাহর হাতে।

ক্রিজে ছিলেন ভারতের দুই স্পিনার কেদার যাদব আর কুলদীপ যাদব। দুই যাদব মিলেই সেবার বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ করেন। প্রথম দুই বলে দুটি সিঙ্গেল, তৃতীয় বলে আসে দুই রান। চতুর্থ বলটি ডট দেন মাহমুদউল্লাহ। পঞ্চম বলে আরেকটি সিঙ্গেল নেওয়ার পর শেষ বলে পড়িমড়ি করে ছুটে এক রান নেন কেদার। রানটাও আসে লেগবাই থেকে। আরও একবার স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণায় পুড়তে হয় বাংলাদেশকে।